কোরবানির ঈদ সামনে রেখে সাধারণত এই সময় পশ্চিমবঙ্গের গরুর হাটগুলোতে উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। তবে এবার চিত্র পুরোপুরি ভিন্ন। ক্রেতার উপস্থিতি কম থাকায় অনেক হাটই প্রায় ফাঁকা পড়ে আছে। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন গরু ব্যবসায়ী ও খামারিরা।পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, মালদা, উত্তর দিনাজপুর ও নদীয়া জেলার বিভিন্ন গরুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার গরু বিক্রি অনেক কম।
হাটে গরু নিয়ে এলেও কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না বিক্রেতারা। অনেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ক্রেতা পাচ্ছেন না।ব্যবসায়ীরা বলছেন, সীমান্ত নজরদারি বাড়ানো, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে বাজারে প্রভাব পড়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় বাজারেও চাহিদা তুলনামূলক কম।
এক গরু ব্যবসায়ী জানান, গত বছর ঈদের আগে যেখানে একটি হাটে হাজার হাজার মানুষ আসত, এবার সেখানে ক্রেতার সংখ্যা অনেক কম। গরু নিয়ে এসে খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে অনেককে।খামারিরাও বলছেন, কয়েক মাস ধরে গরু লালন-পালনে খরচ বেড়েছে। কিন্তু বিক্রির সময় লাভ তো দূরের কথা, অনেকেই মূলধন তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন।
অন্যদিকে ক্রেতাদের দাবি, গরুর দাম এখনো অনেক বেশি। তাই অনেকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করছেন। ফলে ঈদের আগে শেষ কয়েকদিনে বাজারে কিছুটা গতি ফিরতে পারে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
/বিএসএস