ইরানের একটি কথিত নতুন সামরিক অস্ত্রকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও জল্পনা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, ভবিষ্যৎ যুদ্ধে ইরান এমন একটি নতুন অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে, যার সক্ষমতা সম্পর্কে এখনো বিশ্ব পুরোপুরি অবগত নয়।
তবে ইরানের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো অস্ত্রের আনুষ্ঠানিক নাম, প্রযুক্তিগত বিবরণ বা কার্যক্ষমতা সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু পোস্টে দাবি করা হয়েছে, নতুন এই অস্ত্র শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান ও ড্রোনের নেভিগেশন বা সেন্সর ব্যবস্থা অকার্যকর করে দিতে সক্ষম হতে পারে। যদিও এসব দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইসরায়েল ও সিরিয়া সীমান্তে সামরিক তৎপরতার খবরও সামনে এসেছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, সিরিয়ার একটি গ্রামে ইসরায়েলি বাহিনী অভিযান চালায়। তবে ঘটনাটি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
অন্যদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনির বরাত দিয়ে দেশটির কয়েকটি ঘনিষ্ঠ মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, ইরানের ইউরেনিয়াম মজুত দেশের বাইরে নেওয়া হবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ঘিরে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে সামাজিক মাধ্যমে নানা ধরনের সামরিক দাবি ও গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এসব তথ্যের অনেকগুলোরই স্বাধীন বা আন্তর্জাতিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
/এএসএফ