বেকারত্ব, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং তরুণদের ক্রমবর্ধমান হতাশাকে কেন্দ্র করে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে নেপাল। প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহর পদত্যাগের দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে নেমেছেন আন্দোলনকারীরা।
গত তিন দিনে কর্মসংস্থানের অভাবে হতাশ হয়ে তিন তরুণ আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। তাদের মধ্যে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। অপর একজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সোমবার (১৩ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহর বিরুদ্ধে জনরোষ আরও তীব্র হয়েছে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সরকার যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আয় বৃদ্ধি কিংবা তাদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
‘জেন-জি নেপাল’ নামের একটি যুব সংগঠন দাবি করেছে, বালেন শাহর সরকার জনবিরোধী ও স্বৈরাচারী শাসন পরিচালনা করছে। সংগঠনটির ভাষ্য, সাম্প্রতিক বাজেট ও সরকারের বিভিন্ন নীতিতে যুবকদের কর্মসংস্থান বা আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো কোনো বাস্তব উদ্যোগের প্রতিফলন দেখা যায়নি।
এদিকে বিরোধী দল নেপালি কংগ্রেসও প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। দলটির অভিযোগ, রাষ্ট্রের ব্যর্থতার কারণেই এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটছে।
নেপালে যুব বেকারত্ব দীর্ঘদিন ধরেই একটি বড় সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর পর সরকারের বিরুদ্ধে এই ক্ষোভ কতটা বিস্তৃত হয় এবং পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেটিই এখন পর্যবেক্ষণের বিষয়।
/এসএন