• ঢাকা
  • শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩২ পিএম


স্ত্রীকে মা/রধর ও এক কোটি টাকা যৌ/তুক দাবির মাম/লায় কা/রাগারে প্রিন্স মামুন

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২৪ জুলাই ২০২৬ ৯:৪৭ পিএম

এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি এবং স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার কনটেন্ট ক্রিয়েটর আব্দুল্লাহ আল মামুন, যিনি প্রিন্স মামুন নামে পরিচিত, তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (২৪ জুলাই) ঢাকার একটি আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম শুনানি শেষে প্রিন্স মামুনের জামিন আবেদন খারিজ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে তাকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়াউর রহমান তদন্তের স্বার্থে তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রিন্স মামুনের স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনা ভাটারা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ ওই মামলায় প্রিন্স মামুনকে গ্রেপ্তার দেখায়।

মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় পাঁচ মাস আগে ফ্যাশন মডেল আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনাকে বিয়ে করেন প্রিন্স মামুন। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল। অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রিন্স মামুন বিভিন্ন বয়স্ক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িত এবং মাদকাসক্ত। এসব বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি মোহনাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, বিয়ের পর থেকেই দোকান দেওয়ার কথা বলে এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিলেন প্রিন্স মামুন। ওই অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি মোহনাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় মোহনাদের বাসায় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় যান প্রিন্স মামুন। সেখানে গিয়ে তিনি আবারও এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করেন এবং মোহনাকে বাবার বাড়ি থেকে সেই টাকা এনে দিতে বলেন।

মোহনা এতে রাজি না হলে দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে প্রিন্স মামুন তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ ঘটনায় মোহনাকে বাম চোখের নিচে রক্তাক্ত জখম, ডান কানে নীলাফুলা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রিন্স মামুনের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

/এসএন