• ঢাকা
  • বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২২ এএম


পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা-সহশিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্ব, মাউশির নতুন নির্দেশনা

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:০০ পিএম

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি একাডেমিক শিক্ষার বাইরে তাদের সার্বিক দক্ষতা বাড়াতে সারা বছর খেলাধুলা, সহ-পাঠ্যক্রমিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

সম্প্রতি মাউশির উপপরিচালক (শারীরিক শিক্ষা) অধ্যাপক মো. শহিদুল ইসলামের সই করা এক পরিপত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরিপত্রটি দেশের সব আঞ্চলিক পরিচালক, উপপরিচালক (মাধ্যমিক) ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

পরিপত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খেলাধুলা, সহ-পাঠ্যক্রমিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি এসব কার্যক্রম একাডেমিক কার্যক্রমের সঙ্গে সমন্বয় করে সারা বছর পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় মোট ৩৫টি কার্যক্রমের তালিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি ক্রীড়া কার্যক্রম রয়েছে। এগুলো হলো—ফুটবল, ভলিবল, দাবা, ক্রিকেট, টেবিল টেনিস, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, হ্যান্ডবল, বাস্কেটবল, হকি, গ্রামীণ ও ঐতিহ্যবাহী খেলা, সাঁতার, অ্যাথলেটিকস, তায়কোয়ান্দো ও মার্শাল আর্ট।

সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের তালিকায় রয়েছে ১৩টি বিষয়। এর মধ্যে হামদ ও নাত, বাংলা ও ইংরেজি বক্তৃতা ও বিতর্ক, উপস্থিত বক্তৃতা, দেয়ালিকা তৈরি, বই পড়া, দৈনিক পত্রিকা পাঠ, সৃজনশীল লেখা, পরিবেশ সুরক্ষা, ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি, মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা, গণিত অলিম্পিয়াড এবং ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি রয়েছে।

এ ছাড়া সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের আওতায় রাখা হয়েছে সংগীত, আবৃত্তি, একক অভিনয়, কুইজ, নৃত্য, গ্রাফিতি অঙ্কন, উৎসব ও ঐতিহ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান এবং চিত্রাঙ্কন।

মাউশির নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাডেমিক কার্যক্রমের সঙ্গে সমন্বয় করে সুবিধাজনক সময়ে সারা বছর এসব কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বয়েজ স্কাউট, রোভার স্কাউট, গার্ল গাইডস, বিজ্ঞান ক্লাব, বিতর্ক ক্লাব, স্বাস্থ্য ও শারীরিক শিক্ষা ক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠন ও ক্লাব পরিচালনায় যথাযথ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

মাউশি বলছে, একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, সহ-পাঠ্যক্রমিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে এসব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, সামাজিক দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখবে।

/এএসএফ