• ঢাকা
  • সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৫ এএম


ছাত্রদল নেতার স্ট্যাটাসে ‘হা-হা’ রিয়েক্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে উ/ত্তেজনা, মৃ/ত্যু একজনের

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১৭ মে ২০২৬ ৬:৪৪ পিএম

কক্সবাজারের উখিয়ায় ফেসবুক স্ট্যাটাসে ‘হা-হা’ রিয়েক্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় এক নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। নিহত নারী ছৈয়দা বেগম। সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে তিনি মারধরের শিকার হন বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা।

শনিবার (১৬ মে) রাত ৮টার দিকে উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের টাইপালং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক সপ্তাহ আগে দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ লেখাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতারা থানায় এজাহার দিলেও মামলা হয়নি। এরপর থেকেই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার স্থানীয় ছাত্রদল নেতা জিসানের একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে ছাত্রলীগ নেতা ইউনুস ‘হা-হা’ রিয়েক্ট দেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ইউনুসকে মারধর শুরু করেন।

ইউনুসকে রক্ষা করতে এগিয়ে যান এনজিওকর্মী এসএম ইমরান। পরে তাকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে ইমরানের মা ছৈয়দা বেগম ঘটনাস্থলে গিয়ে ছেলেকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে তাকেও মারধর করা হয় বলে স্বজনদের দাবি।

মারধরের একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন ছৈয়দা বেগম। পরে তাকে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ছৈয়দা বেগম স্থানীয় সাব্বির আহমদের স্ত্রী।

হাসপাতালে নিহতের সন্তানরা অভিযোগ করেন, স্থানীয় বিএনপি নেতা মিজান সিকদার, আব্দুল করিম, আকাশ, সাইফুল সিকদার, ছৈয়দ বাবুল, মাহবুবুর রহমান, ছালাম সিকদার, ছাত্রদল নেতা জিসান এবং অ্যাম্বুল্যান্স চালক শামসুল আলমের নেতৃত্বে তাদের মাকে হত্যা করা হয়েছে।

এদিকে ছাত্রলীগ নেতা ইউনুসকে মারধরের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে বিএনপি নেতাকর্মীরা তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। তবে এ ঘটনায় বিএনপির কোনো নেতাকর্মীকে আটক করা হয়নি বলে জানা গেছে।

ঘটনার পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে অভিযুক্তরা সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনাটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তারা দুঃখ প্রকাশ করে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

উখিয়া থানার ওসি মুজিবুর রহমান জানান, ওই নারী হাসপাতালে মারা গেছেন। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, সেটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

/এসএন