ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্স ৬-৪ গোলে পরাজিত হলেও দলের হয়ে জোড়া গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এই দুই গোলের সুবাদে চলতি বিশ্বকাপে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০টিতে। পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে আরও ৪টি গোল করিয়েছেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড।
এই পারফরম্যান্সের ফলে গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন এমবাপ্পে। এখন পর্যন্ত চলতি বিশ্বকাপে তার চেয়ে বেশি গোল করতে পারেননি অন্য কোনো ফুটবলার। তবে এই পুরস্কারের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালে মাঠে নামার আগে মেসির ঝুলিতে রয়েছে ৮টি গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট। ফলে গোল্ডেন বুট জয়ের সুযোগ এখনও তার সামনে খোলা রয়েছে।
সমীকরণ অনুযায়ী, ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ৩টি গোল করতে পারলে মোট ১১ গোল নিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জিতবেন মেসি। তবে তিন গোল করতে না পারলেও তার সামনে আরও কিছু সম্ভাব্য সমীকরণ রয়েছে।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, গোল্ডেন বুট বিজয়ী নির্ধারণে প্রথমে বিবেচনা করা হয় গোলসংখ্যা। একাধিক খেলোয়াড়ের গোল সমান হলে দেখা হয় অ্যাসিস্টের সংখ্যা। সেখানেও সমতা থাকলে কম সময় মাঠে খেলা ফুটবলারকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
সে হিসেবে মেসি যদি ফাইনালে আরও ২টি গোল করেন, তাহলে গোলসংখ্যায় এমবাপ্পের সমতায় পৌঁছে যাবেন। তবে সেই পরিস্থিতিতে গোল্ডেন বুট জিততে হলে তাকে অন্তত একটি অ্যাসিস্টও করতে হবে।
গোল্ডেন বুটের দৌড়ে খেলার সময়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। চলতি বিশ্বকাপে এমবাপ্পে খেলেছেন ৭৬৪ মিনিট, আর মেসির মাঠে থাকার সময় ৭১২ মিনিট। তাই স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে মেসি যদি ২টি গোল করেন কিন্তু কোনো অ্যাসিস্ট না পান, তাহলে এমবাপ্পেকে টপকাতে হলে তাকে ম্যাচের ৫১ মিনিটের মধ্যেই মাঠ ছাড়তে হবে।
/এসএন