• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২১ এএম


গোলবন্যার ম্যাচে, ৬-৪ ব্যবধানে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান ইংল্যান্ডের!

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১৯ জুলাই ২০২৬ ৮:২০ এএম

বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচকে অনেকেই আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে দেখছিলেন। তবে মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে সেই ধারণা ভুল প্রমাণ করে রোমাঞ্চে ভরা ১০ গোলের এক ম্যাচ উপহার দিয়েছে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স। শেষ পর্যন্ত ৬-৪ গোলের জয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড।

এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল হওয়া এই ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে ১৯৬৬ সালের শিরোপা জয়ের পর বিশ্বকাপে নিজেদের সেরা সাফল্য অর্জন করল ইংলিশরা। ব্রোঞ্জ পদকের পাশাপাশি তারা প্রায় ৩৫৫ কোটি টাকা পুরস্কার পেয়েছে। অন্যদিকে চতুর্থ হয়ে প্রায় ৩৩০ কোটি টাকা পেয়েছে ফ্রান্স।

ম্যাচে ইংল্যান্ডের জয়ের নায়ক ছিলেন বুকায়ো সাকা। দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করেন তিনি। এছাড়া ডেকলান রাইস, এজরি কনসা ও বদলি হিসেবে নামা জুড বেলিংহাম একটি করে গোল করেন।

সেমিফাইনালে বিদায়ের পর দুই দলই একাদশে বড় পরিবর্তন আনে। ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম তার শেষ ম্যাচে সাতটি পরিবর্তন করেন, আর ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেল করেন আটটি পরিবর্তন।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধেই ডেকলান রাইস, এজরি কনসা এবং বুকায়ো সাকার জোড়া গোলে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা। অফসাইড না হলে প্রথমার্ধেই হ্যাটট্রিক পূর্ণ করতে পারতেন সাকা।

তবে বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেয় ফ্রান্স। ৪৮ মিনিটে অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে ব্যবধান কমান। এরপর ৫৪ মিনিটে ব্র্যাডলি বারকোলা গোল করলে ম্যাচে উত্তেজনা ফিরে আসে। ৬৬ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান ৪-৩-এ নামিয়ে আনেন এমবাপ্পে।

এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপ ইতিহাসে ২২ গোল করে লিওনেল মেসির ২১ গোলের রেকর্ড ছাড়িয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে ওঠেন এমবাপ্পে। একই সঙ্গে চলতি বিশ্বকাপে ১০ গোল নিয়ে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও শীর্ষে উঠে যান তিনি।

তবে ফ্রান্স আর সমতায় ফিরতে পারেনি। মাইকেল ওলিসে ও উসমান দেম্বেলে একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। এরপর সাকা নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন এবং যোগ করা সময়ে জুড বেলিংহাম ইংল্যান্ডের ষষ্ঠ গোল করেন। ম্যাচের শেষ দিকে দেম্বেলে ফ্রান্সের চতুর্থ গোল করলেও শেষ পর্যন্ত ৬-৪ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।

এই পরাজয়ের মধ্য দিয়ে ফ্রান্সের কোচ হিসেবে শেষ ম্যাচে ছয় গোল হজমের তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে বিদায় নিতে হলো দিদিয়ের দেশমকে।

/এএসএফ