• ঢাকা
  • রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬, ০২:০৮ এএম


সৌদি আরবের সঙ্গে পার/মাণবিক সহযোগিতা চুক্তিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২২ জুলাই ২০২৬ ৪:৪৭ পিএম

সৌদি আরবের সঙ্গে একটি বিস্তৃত বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (২২ জুলাই) ট্রাম্প প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি ঘোষণা করতে পারে। চুক্তি কার্যকর হলে সৌদি আরব নিজ দেশে পারমাণবিক চুল্লির জ্বালানি উৎপাদনের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার সুযোগ পেতে পারে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটন ও রিয়াদের কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করাই এই চুক্তির অন্যতম লক্ষ্য। একই সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের আশা, এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক শিল্পে বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তবে প্রস্তাবিত এই চুক্তি নিয়ে ইতোমধ্যেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের উভয় দলের কয়েকজন আইনপ্রণেতা এবং ইসরায়েলের কর্মকর্তারা। তাদের আশঙ্কা, বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচির আড়ালে ভবিষ্যতে সৌদি আরব পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের মাটিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং প্লুটোনিয়াম পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-এর পরিদর্শন ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও কিছু সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে।

চুক্তিটি এখন মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন থাকায় এটি অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বলেছিলেন, ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করে, তাহলে সৌদি আরবও একই পথ অনুসরণ করবে।

এর আগে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনও সৌদি আরবের সঙ্গে অনুরূপ একটি পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তির চেষ্টা করেছিল। তবে সেই উদ্যোগটি ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদি আরবের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার শর্তের সঙ্গে যুক্ত ছিল। ট্রাম্প প্রশাসন সেই শর্ত বাদ দিয়েই পারমাণবিক সহযোগিতার উদ্যোগ এগিয়ে নিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত ভারসাম্য এবং পারমাণবিক বিস্তার রোধের আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকে ঘিরে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে।

/এসএন