• ঢাকা
  • রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫৫ এএম


জুলাই যোদ্ধাদের মারতে পুরস্কার ঘোষণার অভিযোগ, ১১ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৭ জুলাই ২০২৬ ৬:৫৫ পিএম

নড়াইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া জুলাই যোদ্ধাদের মারধর করতে পারলে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জুলাই মাস শুরু হওয়ায় আওয়ামী লীগ ‘পাগল হয়ে গেছে’ বলে মন্তব্য করেছেন নড়াইল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম।

সোমবার (৬ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনায় ১১ জনকে আসামি করে নড়াইল সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন আমিরুল ইসলাম।

অভিযোগ দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন— বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদ, নড়াইলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মিজানুর রহমান নয়ন (৩৮), সহ-সভাপতি সৌরভ কর্মকার (২৬), লোহাগড়া উপজেলার কুন্দসী গ্রামের সজিবুল ইসলাম হৃদয় (২৬), একই এলাকার শাহাদাত হোসেন রায়হান (২৫), লোহাগড়ার চাচই গ্রামের আরব শিকদারের ছেলে ইমন শিকদার (২৪), লোহাগড়া উপজেলা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চাচই গ্রামের সাইফুল জমাদ্দারের ছেলে মো. মিলন জমাদ্দার (২৯), মল্লিকপুর গ্রামের মো. ইস্রাফিল (২৫), কাশিপুর ইউনিয়নের কামেশ্বরপুর গ্রামের মো. সজীব চৌধুরী (২৬), লোহাগড়ার কালনা গ্রামের এস কে আসলাম (২৫), নড়াইল পৌরসভার নড়াইল গ্রামের মহসীন বিশ্বাসের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ আল জাবের লোটাস (৪০) এবং সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের সিবানন্দপুর গ্রামের আজগর শেখের ছেলে মো. জুবায়ের শেখ (২০)।

অভিযোগে আমিরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন উস্কানিমূলক লেখা, ভুয়া ভিডিও পোস্ট এবং তাকে ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের মারধর করতে পারলে ৫০ হাজার টাকা, ১ লাখ টাকা, ২ লাখ টাকা, ৫ লাখ টাকাসহ বিভিন্ন অঙ্কের অর্থ পুরস্কার ঘোষণা করছেন। তার দাবি, এসব কর্মকাণ্ড তাদের জীবনের নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছে।

এ বিষয়ে নড়াইল জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম বলেন, “জুলাই আসায় আওয়ামী লীগ পাগল হয়ে গেছে। বিদেশে বা বিভিন্ন অজ্ঞাত স্থানে পালিয়ে থেকে তারা এ ধরনের হুমকি দিচ্ছে। তাদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। আমরা আইনের দারস্থ হয়েছি। প্রতিকার চাই, তবে প্রতিকার না পেলে আমরা প্রস্তুত আছি পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য।”

অন্যদিকে, অভিযুক্তদের একজন আব্দুল্লাহ আল জাবের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “অভিযোগকারীকে আমি চিনি না। আমার সঙ্গে যাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে তাদেরও চিনি না। আমার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক।”

/এসএন