সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দেশজুড়ে রাতভর মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে বিভিন্ন জেলার নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও টানা বর্ষণে বিশেষ করে নেত্রকোণা ও সুনামগঞ্জ জেলার হাওরাঞ্চলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি, ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
বর্তমানে নেত্রকোণার কংস নদ-এর পানি বিপৎসীমার ৯৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। টানা বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পানি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে সিলেট ও মৌলভীবাজারসহ মোট পাঁচ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এতে এসব অঞ্চলের মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরগুলো—চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর, মোংলা সমুদ্রবন্দর ও পায়রা সমুদ্রবন্দর—কে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এতে সমুদ্র ও নদীপথে চলাচলকারী নৌযানগুলোকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।