• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩১ এএম


ঝড় বৃষ্টির শঙ্কায় বোরো নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ৯:৩৮ পিএম

ফেনীর সোনাগাজীতে বোরো ধানের বাম্পার ফলন, ঝড়-বৃষ্টিতে কৃষকদের দুশ্চিন্তাফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় চলতি মৌসুমে বোরো ধানের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষকদের নিরলস পরিশ্রমে এবার ধানের ফলনও হয়েছে বাম্পার। তবে ধান কাটার আগমুহূর্তে বৈশাখী ঝড়-বৃষ্টির কারণে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন কৃষকরা।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর উপজেলায় বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৪৯৫ হেক্টর জমি। কিন্তু বাস্তবে আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৫২০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে ৫০০ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড এবং ২ হাজার ২০ হেক্টরে উফশী জাতের ধান আবাদ করা হয়েছে।এ মৌসুমে মোট ৭ হাজার ৫৬০ জন কৃষক বোরো আবাদে অংশ নিয়েছেন। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে ২ হাজার ৫২০ জন কৃষককে সার ও বীজ প্রণোদনা এবং ১৫০ জন কৃষককে প্রদর্শনী প্লট স্থাপনে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী প্রতি হেক্টরে হাইব্রিড ধানের ফলন ধরা হয়েছে ৪ দশমিক ৭৪ মেট্রিক টন এবং উফশী জাতের ক্ষেত্রে ৩ দশমিক ৭৩ মেট্রিক টন। সে হিসেবে মোট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ হাজার ৯০৪ দশমিক ৬ মেট্রিক টন ধান।তবে মাঠে ভালো ফলন হলেও ধান ঘরে তোলার আগেই ঘনঘন ঝড়-বৃষ্টিতে কৃষকরা আতঙ্কে রয়েছেন। অনেকেই ঋণ ও ধারদেনা করে চাষাবাদ করায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতির আশঙ্কা তাদের আরও বাড়িয়ে তুলেছে।চরচান্দিয়া ইউনিয়নের কৃষক একরামুল হক বলেন, এবার ধানের ফলন খুব ভালো হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি শুরু হওয়ায় দুশ্চিন্তায় আছি। ধান নষ্ট হলে বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।উপজেলা কৃষি অফিসার মাইন উদ্দিন আহমেদ সোহাগ বলেন, আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে এবং ফলনও ভালো হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বড় কোনো ক্ষতি হবে না। তবে পানি জমে গেলে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কৃষকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিগ্যান চাকমা জানান, ঝড়-বৃষ্টির কারণে কৃষকদের ক্ষতি কমাতে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে এবং প্রয়োজনে সহায়তা দেওয়া হবে।