• ঢাকা
  • সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪২ পিএম


ফেসবুকের সমস্যা থেকে ফোন রিসেট দিয়ে হারাতে পারেন যেসব তথ্য ও সেটিংস

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১৩ জুন ২০২৬ ১২:০০ এএম

ফেসবুক কিংবা অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ সমস্যা দেখা দিলে অনেকেই দ্রুত সমাধানের আশায় ফোন রিসেট করে থাকেন। আবার ফোন ধীরগতির হয়ে গেলে, বারবার হ্যাং করলে বা ভাইরাসের কারণে সমস্যায় পড়লেও অনেকে ‘ফ্যাক্টরি রিসেট’ করার পরামর্শ দেন। পুরনো ফোন বিক্রির আগে ব্যক্তিগত তথ্য মুছে ফেলতেও অনেক ব্যবহারকারী এই পদ্ধতি অনুসরণ করেন।

তবে ফোন রিসেট দেওয়ার আগে জানা প্রয়োজন, এই প্রক্রিয়ায় আসলে কী ঘটে এবং কোন কোন তথ্য হারিয়ে যেতে পারে।

ফোন রিসেট বা ‘ফ্যাক্টরি রিসেট’ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে ডিভাইসটি আবার তার মূল অবস্থায় ফিরে যায়। অর্থাৎ কারখানা থেকে বের হওয়ার সময় ফোনটি যেমন ছিল, রিসেটের পর সেটি অনেকটা সেই অবস্থায় ফিরে আসে। এ সময় ব্যবহারকারীর সংরক্ষিত তথ্য ও বিভিন্ন সেটিংস মুছে গিয়ে ফোনটি নতুন ডিভাইসের মতো হয়ে যায়।

ফ্যাক্টরি রিসেটের ফলে ফোনের অভ্যন্তরীণ মেমোরিতে থাকা সব ছবি, ভিডিও এবং অডিও ফাইল মুছে যেতে পারে। এছাড়া ব্যবহারকারী যে অ্যাপগুলো ডাউনলোড করেছেন এবং সেগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্যও মুছে যায়।

রিসেটের পর হারিয়ে যেতে পারে সেভ করা কন্টাক্ট নম্বরও, যদি সেগুলো সিম কার্ড বা গুগল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত না থাকে। একই সঙ্গে এসএমএস, কল হিস্টোরি, সংরক্ষিত ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড এবং ব্লুটুথ সংক্রান্ত সেটিংসও মুছে যায়।

এ ছাড়া ফোনে লগ-ইন করা গুগল, ফেসবুক, ইমেইলসহ বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাইন আউট হয়ে যায়। ব্যবহারকারীর নিজস্বভাবে করা কাস্টমাইজেশন ও ফোনের বিভিন্ন ব্যক্তিগত সেটিংসও আগের অবস্থায় ফিরে যায়।

তবে সাধারণত এসডি কার্ড এবং সিম কার্ডে থাকা তথ্য ফ্যাক্টরি রিসেটের মাধ্যমে মুছে যায় না। অবশ্য ব্যবহারকারী যদি আলাদাভাবে এসব স্টোরেজ ফরম্যাট করেন, তখন সেখানে সংরক্ষিত ডেটাও মুছে যেতে পারে।

তাই ফ্যাক্টরি রিসেট দেওয়ার আগে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, ছবি, ভিডিও, কন্টাক্ট এবং প্রয়োজনীয় ফাইলের ব্যাকআপ রাখা অত্যন্ত জরুরি। এতে রিসেটের পর তথ্য হারানোর ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

/এসএন