গণমাধ্যমের অপব্যবহার ও ফ্যাসিবাদ তৈরির কৌশল সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে রাজনৈতিক এই বিশ্লেষক বলেন, আমাদের ফৌজদারী অপরাধের আইন দিয়ে কেবল বিচার হয়, কিন্তু কেউ যদি ষড়যন্ত্র করে টকশোতে একটা লোককে নিয়ে গিয়ে তাকে অপমান করে—তার অপরাধের সংজ্ঞা কি? তাদের অপরাধ খুনের চেয়ে বেশি, তাদের অপরাধ গণহত্যাকে উস্কে দেওয়ার, তাদের অপরাধ বাংলাদেশের মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার, তাদের অপরাধ মিডিয়াকে কুক্ষিগত করে শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট বানানোর।”Geographic Reference
অতীতের ঘটনা টেনে আশরাফ কায়সার স্মৃতিচারণ করেন, ফুটবল দলের প্রাক্তন অধিনায়ক আমিনুল হক যখন কারানির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন, তখন কথিত সুশীল সমাজের নিরপেক্ষতা বা মায়াকান্না কোথায় ছিল। বর্তমানে একদল ‘পেইড জার্নালিস্ট’ টকশোতে বসে ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মিথ্যাচার ছড়িয়ে যাচ্ছে বলেও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
অবিলম্বে টেলিভিশনগুলোর টিআরপি ও ইউটিউবারদের ভিউ ভিত্তিক অপসাংবাদিকতা নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি কালচারাল ফ্যাসিস্টদের মুখোশ উন্মোচনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। দেশের মানুষের অধিকার ও আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানোর গুরুত্ব মনে করিয়ে দিয়ে তিনি পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেন, “বাংলাদেশে যারা জীবন দিয়েছে অধিকারের জন্য, তাদের প্রতি আমার ঈমান ঠিক রাখতে হবে। কালচারাল ফ্রন্ট দিয়ে আওয়ামী লীগের এই যে ফ্যাসিজম ফিরে আসার আশঙ্কা—সেটি অত্যন্ত অমূলক। কিন্তু আমরা একসাথে না দাঁড়ালে, মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ না করলে, কালচারাল ফ্যাসিস্টদের মুখ উন্মোচন না করলে এই আশঙ্কা নিয়েই আমাদের বেঁচে থাকতে হবে।”
/এএসএফ