• ঢাকা
  • রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৪:০২ পিএম


‘স্ত্রী দরজা চেপে ধরে রেখেছিল, আমি জানালা ভে’ঙে পা’লাই’

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২৫ মে ২০২৬ ৭:৩২ পিএম

রাজধানীর পল্লবী এলাকায় আট বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মাত্র পাঁচ দিনের তদন্ত শেষে ৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দিয়েছে পুলিশ। চার্জশিটে উঠে এসেছে ঘটনাটির ভয়াবহ বর্ণনা এবং অভিযুক্তের জবানবন্দির নানা তথ্য।

রোববার (২৫ মে) পল্লবী থানা-র উপপরিদর্শক (এসআই) ওহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মামলার প্রধান সন্দেহভাজন সোহেল রানা (৩০) রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার পর ঘটনাস্থলের আলামত নষ্ট করার চেষ্টা করেন। তাকে সহায়তা করার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুন (২৬)-এর বিরুদ্ধেও। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, তিনি সোহেলকে বাঁচাতে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন এবং আলামত নষ্টে সহযোগিতা করেছেন।

সোহেল রানার জবানবন্দিতে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা উঠে এসেছে। সেখানে বলা হয়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পাশের বাসার শিশু রামিসাকে দেখতে পেয়ে তিনি তাকে নিজের ঘরে ডাকেন। শিশুটি ঘরে প্রবেশ করলে তাকে বাথরুমে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় রামিসা চিৎকার শুরু করলে সোহেল তার মুখ চেপে ধরেন এবং মুখে কাপড় গুঁজে দিয়ে ধর্ষণ করেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

জবানবন্দিতে আরও বলা হয়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আশপাশের লোকজন যখন রামিসাকে খুঁজতে শুরু করেন, তখন তার মা সোহেলের ঘরের সামনে রামিসার জুতো দেখতে পান। পরে তিনি রামিসাকে ডাকতে থাকেন। কোনো সাড়া না পেয়ে আশপাশের লোকজন সোহেলের ঘরের দরজায় ধাক্কা দিতে শুরু করেন।

এ সময়ের পরিস্থিতি বর্ণনা করে সোহেল জবানবন্দিতে বলেন, “আমার স্ত্রী আমাকে পালিয়ে যেতে বলে। আমি রেঞ্জ দিয়ে জানালার গ্রিল ভেঙে ফেলি। লোকজন যখন দরজায় সমানে ধাক্কা দিচ্ছিল, তখন আমার স্ত্রী দরজা চেপে ধরে রেখে আমাকে পালাতে সাহায্য করে।”

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, সোহেল পালিয়ে যাওয়ার পর তার স্ত্রী দরজা খুলে দেন।

/এসএন