ঈদের ১৩ দিনের বিরতি শেষে সংসদের প্রথম অধিবেশনেই ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন ইস্যুতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজনৈতিক পরিবেশ।
রোববার (২৯ মার্চ) অধিবেশনে সংবিধান সংশ্লিষ্ট সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বানের দাবিতে নোটিশ দেয় বিরোধী দল।
এ বিষয়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংসদে এমন প্রস্তাব আনা যাবে না, যার বাস্তবায়নে আইন সংশোধন ছাড়া উপায় নেই। তিনি ‘জুলাই জাতীয় সনদ’কে একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দলিল হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর মাধ্যমে সংবিধান স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তিত হয়নি।
তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংশোধনের জন্য সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা যেতে পারে। এতে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও বিশিষ্টজনদের মতামত নেওয়া সম্ভব হবে।
তবে বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদ মুলতবি করে আলোচনা হলে বিরোধী দল তাতে অংশ নেবে।
বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, গণভোটের আদেশ অমান্য করা হচ্ছে। তিনি বলেন, সংশোধন নয়, বরং সংবিধানের মৌলিক সংস্কারের লক্ষ্যেই তারা সংসদে এসেছেন।
এ সময় বিরোধী দলের সংসদ সদস্য হান্নান মাসুদ সংবিধান সংস্কারের দাবি তুলে বলেন, “আমরা নতুন বাংলাদেশ চাই, পুরোনো সংবিধান নয়।”
অধিবেশনের শুরু থেকেই প্রস্তাবটি কবে আলোচনায় আসবে, তা নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক দেখা যায়, যা সংসদকে উত্তপ্ত করে তোলে।