• ঢাকা
  • সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম


অস্তিত্বের সংকটে ভারতের অন্যতম প্রভাবশালী নারী রাজনীতিক

১৫ বছরের শাসনের অবসান: পশ্চিমবঙ্গের ভোটে পরাজয়ের পর কোন পথে মমতা?

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৭ মে ২০২৬ ৮:৪৭ পিএম

দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার দল তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) যেন এক রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতীক ছিল— যেকোনো পরিস্থিতিতেই তারা টিকে থাকার পথ খুঁজে নিত।

কিন্তু সোমবার সেই ধারার অবসান হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কাছে পরাজয়ের মাধ্যমে টানা চতুর্থবারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আশা শেষ হয়ে গেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সফল হলে তিনি জ্যোতি বসু ও নবীন পট্টনায়কের মতো দীর্ঘসময় ক্ষমতায় থাকা আঞ্চলিক নেতাদের কাতারে নাম লেখাতেন।

এই পরাজয় সমকালীন ভারতের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের সামনে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। যে রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল রাজপথের আন্দোলন দিয়ে, সেটিই এখন এসে দাঁড়িয়েছে তার নিজের হাতে গড়া রাজনৈতিক দুর্গ দুর্বল হয়ে পড়ার বাস্তবতায়।

খাটো গড়নের, সাদামাটা সুতির শাড়ি ও রাবারের স্যান্ডেল পরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে একসময় বোঝার উপায় ছিল না যে, তিনিই বিশ্বের দীর্ঘতম নির্বাচিত কমিউনিস্ট শাসনগুলোর একটি ভেঙে ফেলবেন।

২০১১ সালে তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)-কে পরাজিত করেন, যারা টানা ৩৪ বছর পশ্চিমবঙ্গ শাসন করেছিল। এর মধ্য দিয়ে তিনি এমন একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থার অবসান ঘটান, যা পশ্চিমবঙ্গের পরিচয়ের সঙ্গেই জড়িয়ে গিয়েছিল। একসময় ভারতের বুদ্ধিবৃত্তিক ও বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত রাজ্যটি তখন শিল্পের পতন ও রাজনৈতিক ক্লান্তির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল।

সে সময় নিউইয়র্ক টাইমস মমতাকে আখ্যা দিয়েছিল “তাদের নিজস্ব বার্লিন দেয়াল ভেঙে ফেলা ভোঁতা অস্ত্র” হিসেবে। টাইম ম্যাগাজিনও তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছিল।

পশ্চিমবঙ্গের সংঘাতময় রাজনৈতিক সংস্কৃতির মধ্য দিয়েই মমতার উত্থান। যেখানে নির্বাচন অনেক সময় দীর্ঘস্থায়ী রাজপথের যুদ্ধে রূপ নেয়। তার সমর্থকেরা তাকে ডাকতেন “অগ্নিকন্যা” নামে।

কলকাতার এক নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া মমতা কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠনের মাধ্যমে রাজনীতিতে আসেন। আশির দশকে তিনি রাজ্যের অন্যতম পরিচিত কমিউনিস্টবিরোধী মুখ হয়ে ওঠেন। পরে কংগ্রেস ছেড়ে গড়ে তোলেন তৃণমূল কংগ্রেস।

পশ্চিমবঙ্গের সহিংস রাজনীতি তাকে ব্যক্তিগতভাবেও প্রভাবিত করেছিল।

১৯৯০ সালে একটি বিক্ষোভ মিছিলে কমিউনিস্ট কর্মীদের হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন বলে অভিযোগ রয়েছে। মাথার খুলি ফেটে যাওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল।

এই ঘটনাই তার সেই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলে, যা তিনি পরবর্তী কয়েক দশক ধরে ধরে রেখেছিলেন— একদিকে রাজপথের লড়াকু নেত্রী, অন্যদিকে আত্মত্যাগী সংগ্রামী; ক্ষমতায় থাকলেও যেন সবসময়ই এক বিদ্রোহী চরিত্র।

২০০৭ সালে সিঙ্গুরে টাটা মোটরসের প্রস্তাবিত গাড়ি কারখানা ও নন্দীগ্রামে ভূমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে আন্দোলনের মাধ্যমে মমতার উত্থান আরও দ্রুত হয়।

তিনি নিজেকে কৃষকদের রক্ষাকর্তা হিসেবে তুলে ধরেন এবং জোরপূর্বক শিল্পায়নের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। এর ফলে গ্রামীণ ও দরিদ্র ভোটারদের মধ্যে তার প্রতি প্রবল সমর্থন তৈরি হয়। তবে এই আন্দোলনের কারণে শহুরে মধ্যবিত্ত ও ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর একাংশ তার বিরুদ্ধে চলে যায়। তাদের অভিযোগ ছিল, মমতা পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিনিয়োগ তাড়িয়ে দিয়েছেন।

লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসের নৃবিজ্ঞানী মুকুলিকা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মমতা, নরেন্দ্র মোদির মতোই, সারাজীবন রাজনীতি করে এসেছেন।”

তিনি বলেন, “তার প্রতিপক্ষ ছিলেন অভিজাত ভদ্রলোক কমিউনিস্ট নেতারা— শিক্ষিত, উচ্চবর্ণের মধ্যবিত্ত শ্রেণি— যারা তার গায়ের রং ও তথাকথিত ‘ভদ্রসমাজের’ আচরণ না থাকার কারণে তাকে তুচ্ছ করতেন।”

মুকুলিকার মতে, মমতার প্রাথমিক সাফল্য তাকে সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে যায়। “তিনি হকারদের সঙ্গে বসতেন, যেখানে সমস্যা সেখানে ছুটে যেতেন, সাধারণ পোশাক পরতেন এবং সেটিকেই নিজের পরিচয় বানিয়ে ফেলেন।”

তিনি আরও বলেন, “শুরুর দিকের সেই লড়াইগুলো তাকে নির্ভীক করে তোলে। তিনি বুঝেছিলেন, মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারলে অন্যদেরও সাহস দেওয়া যায়।”

সবাই তাকে “দিদি” বলে ডাকত, কারণ তিনি ঠিক সেই ভূমিকাটিই পালন করতেন— “একজন তীব্র রক্ষাকর্ত্রী, যিনি আপনার জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত।”

ভারতের অধিকাংশ প্রভাবশালী নারী রাজনীতিকের বিপরীতে মমতার উত্থানের পেছনে কোনো রাজনৈতিক পরিবার বা শক্তিশালী অভিভাবক ছিলেন না।

মুকুলিকা বলেন, “কেউ নিজে দল গড়ে, কমিউনিস্টদের মতো অপ্রতিরোধ্য শক্তির বিরুদ্ধে লড়ে, ৩৪ বছর পর তাদের ক্ষমতাচ্যুত করে এবং তারপর টানা তিন মেয়াদ ক্ষমতায় থেকেছে— এমন উদাহরণ নেই।”

তিনি আরও বলেন, “অন্য নারী রাজনীতিকদের তুলনায় তিনি সক্রিয়ভাবে আরও নারীদের সামনে নিয়ে এসেছেন।” এবারের নির্বাচনে তার দল ৫২ জন নারী প্রার্থী দিয়েছিল।

দীর্ঘদিন ধরে মমতার ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, নারী ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচি এবং পশ্চিমবঙ্গের আঞ্চলিক পরিচয়ের রাজনীতি তাকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রেখেছিল। দুর্নীতির অভিযোগ, সরকারবিরোধী মনোভাব এবং বিজেপির উত্থানও তখন তাকে খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারেনি।

ক্রেয়া ইউনিভার্সিটির প্রমা রায়চৌধুরী বলেন, “মমতার সাফল্যের মূল ছিল সূক্ষ্ম এক ভারসাম্য— তিনি যেমন আপসহীন রাজপথের যোদ্ধা হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছেন, তেমনি অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় থাকা মানুষের জন্য কল্যাণমূলক সহায়তা দেওয়া এক সংযমী মাতৃমূর্তিও ছিলেন।”

এমনকি তার সমালোচকেরাও স্বীকার করতেন যে ভোটারদের আবেগ বোঝার ক্ষেত্রে মমতার সহজাত দক্ষতা ছিল।

তবে ব্যক্তিগত ক্যারিশমা দিয়ে কোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থা চিরকাল টিকিয়ে রাখা যায় না।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য একসময় কমিউনিস্ট আমলের পশ্চিমবঙ্গকে “পার্টি সোসাইটি” বলে বর্ণনা করেছিলেন। অর্থাৎ এমন এক ব্যবস্থা, যেখানে দল সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও জীবিকার অংশ হয়ে যায়।

মমতার দল সেই কাঠামো উত্তরাধিকারসূত্রে পেলেও সেটিকে বদলে দেয়। কমিউনিস্টদের শৃঙ্খলাবদ্ধ সাংগঠনিক কাঠামোর বদলে তৃণমূল মূলত মমতার ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও কর্তৃত্বকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে।

দ্বৈপায়ন তৃণমূলকে “ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেল” হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তার মতে, স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা ও তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের নিজেদের প্রভাব— এমনকি ব্যবসায়িক স্বার্থ— বিস্তারের সুযোগ দেওয়া হতো, বিনিময়ে তারা মমতার প্রতি আনুগত্য বজায় রাখতেন।

২০২৩ সালে তিনি লিখেছিলেন, “এই ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেল তৃণমূলকে দুর্বল করে তুলেছে।”

তিনি বলেন, “দলের নেতাদের বস্তুগত লাভের প্রবল আকাঙ্ক্ষা এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে লেনদেনভিত্তিক স্বার্থ রাজনৈতিক নৈতিকতার সামান্য মুখোশটুকুও নষ্ট করেছে এবং মানুষের সঙ্গে দলের সম্পর্ককে দুর্বল করেছে।”

মমতার শাসনামলে পশ্চিমবঙ্গ ক্রমবর্ধমান আর্থিক সংকটের মুখেও পড়ে। রাজ্যের ঋণের পরিমাণ বাড়তে থাকে। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, নারীদের জন্য চালু করা তার চারটি কল্যাণমূলক প্রকল্পেই রাজ্যের নিজস্ব আয়ের প্রায় এক-চতুর্থাংশ ব্যয় হচ্ছিল।

খালি সরকারি পদ, চাঁদাবাজিচক্রের মাধ্যমে বাড়তে থাকা দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি এবং নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ— এসব বিষয়ও সরকারের জনপ্রিয়তা কমিয়ে দেয়।

এখন পরাজয়ের পর মমতার সামনে আরও বড় এবং হয়তো অস্তিত্বসংকটের মতো চ্যালেঞ্জ দাঁড়িয়েছে— রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকা।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি ঐতিহাসিকভাবেই ক্ষমতাচ্যুত দলগুলোর প্রতি কঠোর। পরাজয়ের পর স্থানীয় নেতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা দ্রুত নতুন ক্ষমতাকেন্দ্রের দিকে ঝুঁকে পড়েন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক সায়ন্তন ঘোষ মনে করেন, তৃণমূলের অনেক নেতা বিজেপির দিকে চলে যেতে পারেন— কেউ স্বেচ্ছায়, আবার কেউ চাপের মুখে। এতে “দলের ভেতর ভাঙনের” আশঙ্কাও তৈরি হতে পারে।

প্রমা রায়চৌধুরীর মতে, তৃণমূলের “স্পষ্ট আদর্শিক সংহতির অভাব” পরাজয়ের পর দল ও নেত্রী— দুজনকেই আরও দুর্বল করে তুলতে পারে।

মমতার ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষেত্রেও এই পরিবর্তন বড় ধাক্কা হতে পারে।

সায়ন্তন ঘোষ বলেন, “এটি তার জন্য কঠিন সময় হবে। আশির দশকের শেষ দিকে প্রথম নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ক্ষমতা বা কর্তৃত্ব ছাড়া মমতাকে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি খুব কমই দেখেছে।”

তবে ৭১ বছর বয়সী এই নেত্রীর রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘোষণা করাও হয়তো এখনই তাড়াহুড়ো হয়ে যাবে। তারপরও এই পরাজয় তার আগের যেকোনো সংকটের তুলনায় আরও গভীর মোড় তৈরি করতে পারে।

মুকুলিকা বন্দ্যোপাধ্যায় মনে করেন, মমতার মতো নেতারা একসময় “তুলনামূলক সমতাভিত্তিক রাজনৈতিক মাঠে” সফল হয়েছিলেন।

কিন্তু এখন “সেই পরিস্থিতি আর নেই”— বলে মন্তব্য করেন তিনি। এর মাধ্যমে তিনি মোদির বিজেপির একদলীয় আধিপত্যের দিকেই ইঙ্গিত করেন। তার মতে, সোমবারের ফলাফল শুধু জনঅসন্তোষ নয়, বরং সেই রাজনৈতিক ভারসাম্যহীনতারও প্রতিফলন।

এখন প্রশ্ন হলো— মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি আবারও নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে পারবেন? আবার কি তিনি সেই ক্ষুব্ধ রাজপথের নেত্রীর ভূমিকায় ফিরবেন, যিনি একসময় পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কল্পনাকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন?

নাকি ধীরে ধীরে তিনি নিজেই পরিণত হবেন সেই পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার নিঃশেষিত অবশিষ্টাংশে, যার বিরুদ্ধে তিনি সারাজীবন লড়েছেন?

মুকুলিকা বলেন, “তিনি এখন কোথায় যাবেন? রাজনীতি ছাড়া তিনি আর কোনো জীবন চেনেন না।”

প্রমা রায়চৌধুরীর মতে, মমতা হয়তো আবার সেই রাজনীতিতেই ফিরে যেতে পারেন, যা তাকে প্রথম শক্তিশালী করে তুলেছিল।

তার ভাষায়, “কমিউনিস্ট আমলে রাজপথভিত্তিক বিরোধী রাজনীতির যে অভিজ্ঞতা তার রয়েছে, সেটিরই হয়তো আবার প্রত্যাবর্তন ঘটতে পারে।”

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মমতা নিজেও যেন সেই ভূমিকায় ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমি এখন মুক্ত পাখি, সাধারণ মানুষ। আমার আর কোনো চেয়ার নেই।”

একইসঙ্গে জাতীয় পর্যায়ে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’কে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিজেপিকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ এনে এবং “একদলীয় শাসনের” বিরুদ্ধে সতর্ক করে মমতা দাবি করেন, তার দলের কাছ থেকে কার্যত জনগণের রায় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, “আমরা নির্বাচন হারিনি। জোর করে আমাদের কাছ থেকে তা কেড়ে নেওয়া হয়েছে।”

যদিও রাজ্যের প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা বলেছেন, তিনি “কোন প্রেক্ষাপটে” এই অভিযোগ করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখবেন।

এরপর মমতা এমন একটি কথা বলেন, যা অনেকের কাছে কয়েক দশক আগের সেই পরিচিত ‘দিদি’র কথাই মনে করিয়ে দেয়।

তিনি বলেন, “আমি যেকোনো জায়গায় থাকতে পারি, যেকোনো জায়গায় লড়াই করতে পারি। তাই আমি রাজপথেই থাকব।”