গাজা শহরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় এক অন্তঃসত্ত্বা নারী, তার স্বামী এবং গর্ভে থাকা অনাগত শিশু নিহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের তীব্রতায় মায়ের গর্ভ থেকে শিশুটি বাইরে ছিটকে পড়ে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত চুক্তির পর গাজার সাধারণ মানুষ আশা করেছিলেন, ইসরায়েলি হামলা ও ড্রোন উড্ডয়ন বন্ধ হবে। একই সঙ্গে চিকিৎসাসেবা, ত্রাণ সহায়তা এবং স্বাভাবিক চলাচলের সুযোগ ফিরে আসবে বলেও তারা প্রত্যাশা করেছিলেন। তবে বাস্তবে এসব প্রত্যাশার কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি। বরং প্রতিনিয়ত হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম হতাশা ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।রোববার (২ আগস্ট) সকালে গাজা শহরের একটি আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি হামলায় একই পরিবারের তিন সদস্য প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে ছিলেন অন্তঃসত্ত্বা নারী, তার স্বামী এবং গর্ভের সন্তান।এদিকে গৃহহীন হয়ে পড়া বহু পরিবার অস্থায়ী তাঁবুতে আশ্রয় নিলেও সেসব স্থানেও হামলার ঘটনা ঘটছে। অনেকে নিজেদের বাড়িতে ফিরে গিয়ে দেখছেন, তাদের ঘরবাড়ি ও সহায়-সম্বল সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। ফলে নতুন করে জীবন শুরু করার কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছেন তারা।গাজা উপত্যকার উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চল—গাজা শহর, খান ইউনিস এবং দেইর আল-বালাহসহ প্রায় সব এলাকাতেই হামলা অব্যাহত রয়েছে। বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের জন্য কার্যত কোনো নিরাপদ আশ্রয় অবশিষ্ট নেই। কোথায় যাবেন বা কীভাবে বেঁচে থাকবেন, সেই অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে তাদের।
সূত্র: আল জাজিরা
/বিএসএস