আঞ্চলিক বাণিজ্য ও সংযোগ জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির সরকার তৃতীয় দেশের পণ্য নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরান-এ পরিবহনের অনুমতি দিয়েছে।
এই লক্ষ্যে ‘ট্রানজিট অব গুডস অর্ডার ২০২৬’ জারি করা হয়েছে, যা ইতোমধ্যে কার্যকর হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।
এই আদেশটি জারি করা হয়েছে পাকিস্তানের আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৫০ এবং ২০০৮ সালের পাকিস্তান-ইরান সড়কপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন চুক্তির আওতায়। নতুন নীতির ফলে তৃতীয় দেশ থেকে ইরানগামী পণ্য পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে সহজে পরিবহন করা সম্ভব হবে।
সরকার নির্দিষ্ট কয়েকটি করিডোর চিহ্নিত করেছে, যার মধ্যে প্রধান ট্রানজিট রুট হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে—
এই রুটগুলো ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহন আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সরকারি প্রজ্ঞাপনে ‘ট্রানজিট’ বলতে বোঝানো হয়েছে—পণ্য যা পাকিস্তানের বাইরে থেকে এসে অন্য দেশে গিয়ে শেষ হবে। আর ‘ক্রস-স্টাফিং’ বলতে কাস্টমস নিয়ম অনুযায়ী এক পরিবহন মাধ্যম থেকে অন্যটিতে পণ্য স্থানান্তরকে বোঝানো হয়েছে।
এ ধরনের পণ্য পরিবহন কাস্টমস আইন ১৯৬৯ অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হবে। পাশাপাশি প্রতিটি চালানের জন্য আর্থিক গ্যারান্টি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
পাকিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে দেশটির ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং ট্রানজিট হাব হিসেবে পাকিস্তানের গুরুত্ব বাড়বে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।