২০২৬ সালের সংঘাতের পর ইরান যেভাবে দ্রুতগতিতে সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন করছে, তাতে বিস্ময় ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তারা। মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যম ‘দ্য জেরুজালেম পোস্ট’-এর এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে ইসরায়েলের এই উদ্বেগের বিষয়টি উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের যুদ্ধে ইরানের সামরিক স্থাপনা ও অস্ত্রভাণ্ডার লক্ষ্য করে হাজার হাজার বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল। তবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির পরও তেহরান যে গতিতে তার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পুনর্গঠন করছে, তা ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার প্রত্যাশার তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত।
ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, ইরানের সামরিক পুনর্গঠন বর্তমান গতিতে অব্যাহত থাকলে ২০২৭ সালের মধ্যেই দেশটি যুদ্ধের আগের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রভাণ্ডার পুরোপুরি পুনর্গঠন করতে সক্ষম হতে পারে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পুনর্গঠনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে ২০২৮ সালের মধ্যে ইরান আবারও ইসরায়েলের জন্য বড় ধরনের সামরিক হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।
ফলে যুদ্ধের পর ইরানের সামরিক অবকাঠামো কত দ্রুত পুনর্গঠিত হচ্ছে, তা ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা পরিকল্পনার জন্য নতুন করে গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
/এএসএফ