• ঢাকা
  • শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৬:০৪ এএম


‘জিরো ফিগার’ নয়, মানসিক সুখই আসল

আজ ‘নো ডায়েট ডে’, ডায়েট ভেঙে পছন্দের খাবার খাওয়ার দিন

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৬ মে ২০২৬ ৪:৪৬ পিএম

সারা বছর ধরে অনেকেই নির্দিষ্ট ক্যালরি মেনে খাবার গ্রহণ করেন, জিম বা ডায়েট চার্ট অনুসরণে ব্যস্ত থাকেন। তবে ৬ মে সেই নিয়ম ভাঙার দিন হিসেবে বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘ইন্টারন্যাশনাল নো ডায়েট ডে’ বা আন্তর্জাতিক ডায়েট বিমুখ দিবস। এ দিনে ডায়েটের বিধিনিষেধ সরিয়ে রেখে পছন্দের খাবার—বিরিয়ানি, পিৎজা কিংবা চকোলেট কেক—নির্দ্বিধায় উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে।

এই দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো কঠোর ডায়েটের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা এবং মানুষকে নিজের শরীরকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে উৎসাহিত করা। বর্তমান সময়ে সৌন্দর্যের যে কৃত্রিম মানদণ্ড তৈরি হয়েছে, তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াও এ দিনের একটি লক্ষ্য। এটি মনে করিয়ে দেয়, সুস্থতা মানেই কেবল রোগা বা নির্দিষ্ট গড়নের শরীর নয়; মানসিক প্রশান্তিও সুস্থতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

১৯৯২ সালে যুক্তরাজ্যে ব্রিটিশ নারী মেরিয়ান এডিগনার প্রথম এই দিবসের সূচনা করেন। তিনি নিজে ‘অ্যানোরেক্সিয়া’ নামের এক ধরনের খাদ্যাভ্যাসজনিত সমস্যায় ভুগেছিলেন। ডায়েটের কারণে কীভাবে মানুষ স্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাস হারিয়ে ফেলে এবং অসুস্থ হয়ে পড়ে, সে বিষয়টি সামনে আনতেই তিনি এই উদ্যোগ নেন। পরে এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পায় এবং প্রতি বছর ৬ মে দিনটি পালিত হয়ে আসছে।

এই দিনের অন্যতম লক্ষ্য হলো শরীর নিয়ে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করা, অর্থাৎ বডি পজিটিভিটি। নিজের শরীরের গঠন নিয়ে হীনম্মন্যতায় না ভুগে সেটিকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি কঠোর ডায়েটের মানসিক চাপ থেকে একদিনের জন্য মুক্তি নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে দ্রুত ওজন কমানোর জন্য ক্ষতিকর ও অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি পরিহার করার বিষয়েও সচেতনতা তৈরি করা হয়।

দিবসটি উদযাপনের ক্ষেত্রে পছন্দের খাবার উপভোগ করা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া কিংবা পরিবারের সঙ্গে বাইরে গিয়ে খাওয়া—এসব কার্যক্রম গুরুত্ব পায়। একই সঙ্গে নিজের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করাও এই দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের শরীরকে যেমন আছে, তেমনভাবে গ্রহণ করার আহ্বান জানানো।

/এসএন