ঝড়-তুফান প্রকৃতির এক ভয়ংকর প্রকাশ, যা মানুষের সীমাবদ্ধতা ও মহান স্রষ্টার অসীম শক্তির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। আকাশে কালো মেঘ, বজ্রপাতের ঝলকানি ও তীব্র বাতাসের তাণ্ডব একজন মুমিনকে তার রবের দিকে ফিরে যেতে উদ্বুদ্ধ করে। এমন সময়ে ভয় না পেয়ে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করাই ইসলামের শিক্ষা।
হাদিসে বর্ণিত আছে, আয়েশা (রা.) বলেন—প্রচণ্ড ঝড়-তুফান বা বাতাস দেখলে রাসুলুল্লাহ (সা.) এই দোয়া পড়তেন—
দোয়া (আরবি):
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِهَا، وَخَيْرِ مَا فِيهَا، وَخَيْرِ مَا أُرْسِلَتْ بِهِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا، وَشَرِّ مَا فِيهَا، وَشَرِّ مَا أُرْسِلَتْ بِهِ
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন খাইরিহা, ওয়া খাইরি মা ফিহা, ওয়া খাইরি মা উরসিলাত বিহি, ওয়া আউজু বিকা মিন শাররিহা, ওয়া শাররি মা ফিহা, ওয়া শাররি মা উরসিলাত বিহি।
অর্থ:
হে আল্লাহ! এই বাতাসের মধ্যে যে কল্যাণ রয়েছে, এর মধ্যে যা কিছু ভালো আছে এবং যে উদ্দেশ্যে এটি প্রেরিত হয়েছে—তার সব ভালো আমি আপনার কাছে চাই। আর এর অনিষ্ট, এর ভেতরের মন্দ এবং যে মন্দ উদ্দেশ্যে এটি প্রেরিত হয়েছে—তা থেকে আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করি।
(সূত্র: তিরমিজি, হাদিস: ৩৪৪৯)
ঝড়-তুফান তাই শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়; এটি আল্লাহর শক্তির নিদর্শন এবং বান্দার জন্য ফিরে আসার একটি সুযোগ। এমন সময় ধৈর্য ধরা, দোয়া করা এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখাই একজন মুমিনের করণীয়।