• ঢাকা
  • শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৩ এএম


প্যাকেটজাত দুধের দাম লিটারে বেড়েছে ১০ টাকা, চাপে সাধারণ পরিবার

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:০৭ পিএম

৫টি শিরোনাম

১. প্যাকেটজাত দুধের দাম লিটারে বেড়েছে ১০ টাকা, চাপে সাধারণ পরিবার
২. দুধের দাম বাড়ায় শিশুদের খাওয়ানো কমাচ্ছেন অনেকে
৩. প্রায় সব ব্র্যান্ডের তরল দুধের দাম বেড়েছে, ক্ষুব্ধ ক্রেতারা
৪. নিত্যপণ্যের চাপে এবার বাড়ল দুধের দাম, বাড়ছে পরিবারের খরচ
৫. লিটারে সর্বোচ্চ ১০ টাকা বাড়ল প্যাকেটজাত দুধের দাম

বাজারে প্রায় সব ব্র্যান্ডের প্যাকেটজাত তরল দুধের দাম লিটারপ্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে নিয়মিত পুষ্টির গুরুত্বপূর্ণ উৎস দুধ কিনতে গিয়ে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের বাড়তি ব্যয় হচ্ছে। দাম বৃদ্ধিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। কেউ কেউ খরচ কমাতে শিশুদের নিয়মিত দুধ খাওয়ানোর পরিমাণও কমিয়ে দিয়েছেন।

গত মাসে মিল্কভিটার আধা লিটার প্যাকেটজাত তরল দুধের দাম ৫ টাকা বাড়িয়ে ৬০ টাকা করা হয়। একই সময়ে এক লিটার দুধের প্যাকেটের দাম ১০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১১০ টাকা।

এরপর সম্প্রতি অন্যান্য ব্র্যান্ডের তরল দুধের দামও বাড়ানো হয়েছে। ফার্ম ফ্রেশ, আড়ং ও প্রাণ ডেইরির আধা লিটার দুধ ৫৫ টাকা এবং এক লিটারের প্যাকেট ১১০ থেকে ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দাম বাড়ায় অসন্তোষ জানিয়েছেন ক্রেতারা। তাদের ভাষ্য, দুধ প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পুষ্টির গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎস। কিন্তু ধারাবাহিকভাবে দাম বাড়তে থাকায় অনেক পরিবারের পক্ষেই নিয়মিত দুধ কেনা কঠিন হয়ে পড়ছে।

রাজধানীর রামপুরায় দুধ কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, দুধ সুষম খাদ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ছোটবেলা থেকেই এর প্রয়োজনীয়তার কথা সবাই শুনে আসছেন। তাই একবারে এতটা দাম বাড়ানো ঠিক হয়নি।

আরেক ভোক্তা জানান, দুধের দাম বেড়ে যাওয়ায় তিনি তার শিশুকে নিয়মিত দুধ খাওয়ানো বন্ধ করে দিয়েছেন। আগে নিয়মিত দুধ কিনলেও বর্তমানে বাড়তি খরচ বহন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।

খুচরা বিক্রেতারাও বলছেন, দাম বৃদ্ধির পর তরল দুধের বিক্রি কমে গেছে। তাদের দাবি, প্রায় সব ব্র্যান্ডের দুধের দাম একসঙ্গে লিটারপ্রতি প্রায় ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

তবে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণেই দুধের দাম সমন্বয় করতে হয়েছে। প্যাকেট তৈরির উপকরণ, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রতি লিটার দুধ উৎপাদনে আগের তুলনায় বেশি খরচ হচ্ছে।

মিল্কভিটার চেয়ারম্যান এস এম আমীর হামজা শাতিল বলেন, প্যাকেট তৈরির উপকরণের দাম অনেক বেড়েছে। এর পাশাপাশি গ্যাস ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহন ব্যয়ও বেড়েছে। এসব কারণে প্রতিষ্ঠানটি লোকসানে চলছিল। তাই বাধ্য হয়ে দুধের দাম বাড়াতে হয়েছে।

মিল্কভিটার পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, কৃষক পর্যায়েও দুধের ক্রয়মূল্য লিটারপ্রতি ৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী দামের মধ্যে তরল দুধের নতুন মূল্য সাধারণ পরিবারের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। ভোক্তাদের দাবি, পুষ্টির গুরুত্বপূর্ণ এই খাদ্যপণ্যটির দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা হোক।

/এএসএফ