• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১২ পিএম


শ্রমিকেরা কাজে না ফিরলে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২ নভেম্বর ২০২৬ ৯:১১ এএম

মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের মধ্যে সরকার নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। এরপরও শ্রমিকেরা কাজে না ফিরলে এবং আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা অব্যাহত থাকলে অনির্দিষ্টকালের জন্য পোশাক কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা।

রোববার (১ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকার উত্তরায় বিজিএমইএর কার্যালয়ে সংগঠনটির সাধারণ সদস্যদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত জরুরি মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।

সভা শেষে বিজিএমইএ সভাপতি জানান, কয়েকজন উদ্যোক্তা সোমবার থেকে কারখানা বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে অধিকাংশ মালিক উৎপাদন কার্যক্রম চালু রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন। কিন্তু ধারাবাহিকভাবে বিশৃঙ্খলা চলতে থাকলে কারখানা বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।

মাহমুদ হাসান খান বলেন, মজুরি বোর্ড গঠন নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে যে বিভ্রান্তি ছিল, তা ইতোমধ্যে দূর হয়েছে। এখন নতুন মজুরিকাঠামো চূড়ান্ত করার দায়িত্ব মজুরি বোর্ডের। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হবে। বোর্ড গঠনের পর শ্রমিকেরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজে ফিরে যাবেন বলে প্রত্যাশা করছেন মালিকেরা।

তিনি আরও বলেন, মজুরি বোর্ড গঠনের পরও যদি আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা চলতে থাকে, তাহলে মালিকেরা বিষয়টিকে ভিন্ন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করবেন।

এদিকে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে রোববার রাজধানীর মিরপুর, সাভারের আশুলিয়া এবং গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ করেন পোশাকশ্রমিকেরা। আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ এবং পুলিশ বক্স ও পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মিরপুরে সাময়িকভাবে তিনটি মেট্রোরেল স্টেশনের কার্যক্রমও বন্ধ রাখা হয়।

বিজিএমইএর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এদিন ঢাকা, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, সাভারের আশুলিয়া ও জিরানী এলাকার মোট ৫২৯টি কারখানার শ্রমিকেরা কাজ না করে কারখানা থেকে বের হয়ে যান।

এর মধ্যে মিরপুর এলাকার ৬৮টি কারখানা, গাজীপুর ও ময়মনসিংহ এলাকার ২৭৬টি এবং আশুলিয়া ও জিরানী এলাকার ১৮৫টি কারখানার শ্রমিকেরা কাজ ছেড়ে বেরিয়ে যান।

/এসএন