• ঢাকা
  • শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:১১ এএম


কৃত্রিমভাবে মোটাতাজা গরু চিনবেন যেভাবে

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২৫ মে ২০২৬ ১০:৪৫ পিএম

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে জমে উঠেছে কেনাবেচা। তবে এ সময় কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গরু দ্রুত মোটাতাজা করতে হরমোন, স্টেরয়েড ও ক্ষতিকর ইনজেকশন ব্যবহারের অভিযোগও ওঠে।

প্রাণিসম্পদ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাইরে থেকে বড় ও আকর্ষণীয় দেখালেও কৃত্রিমভাবে মোটাতাজা করা সব গরু সুস্থ নাও হতে পারে। এমনকি এসব গরুর মাংস মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণও হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ গরু সাধারণত সচল ও প্রাণবন্ত থাকে। মানুষের উপস্থিতি টের পেলে স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং হাঁটাচলায় স্বাভাবিক থাকে।

অন্যদিকে কৃত্রিমভাবে মোটাতাজা করা গরুর মধ্যে অনেক সময় দুর্বলতা ও নিস্তেজ ভাব দেখা যায়। তারা কম নড়াচড়া করে, হাঁটতে অনীহা প্রকাশ করে এবং অল্প চলাফেরাতেই হাঁপিয়ে ওঠে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, হরমোন বা স্টেরয়েড ব্যবহারের ফলে গরুর উরু, ঘাড়, থুতনি কিংবা প্রস্রাবের পথের আশপাশে অস্বাভাবিক ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে চামড়াও অস্বাভাবিক টানটান দেখায়।

মুখ দিয়ে অতিরিক্ত লালা বা ফেনা বের হওয়াও সতর্ক সংকেত হিসেবে বিবেচিত হয়।

গরু কেনার সময় সহজ একটি পরীক্ষা করারও পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। গরুর পিঠ বা মাংসল অংশে কয়েক সেকেন্ড আঙুল দিয়ে চাপ দিলে যদি সেই অংশ বসে থাকে এবং দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে না আসে, তাহলে শরীরে অতিরিক্ত পানি জমে থাকার আশঙ্কা থাকতে পারে।

প্রাণিসম্পদ বিশেষজ্ঞদের মতে, স্টেরয়েড বা হরমোন ব্যবহৃত গরুর মাংস মানুষের শরীরে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে লিভার, কিডনি ও অন্যান্য জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

তাই কোরবানির পশু কেনার সময় শুধু আকার বা ওজন নয়, গরুর আচরণ, চলাফেরা ও শারীরিক অবস্থাও গুরুত্ব দিয়ে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

/এএসএফ