• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৫ এএম


রংপুরে একই পরিবারের চার খু’ন: দুই আসামির ডো’প টেস্ট করবে পুলিশ

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৯:৪০ পিএম

রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের বন্ধু সীমান্ত দাস আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাতে রংপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের কাছে তিনি এ জবানবন্দি দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার নতুন তদন্ত কর্মকর্তা রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক জিন্নাত আলী। এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে মামলার তৎকালীন তদন্ত কর্মকর্তা কোতয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জী ডিবি কার্যালয়ে গিয়ে মামলার নতুন তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের ওসি জিন্নাত আলীর কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ও নথিপত্র হস্তান্তর করেন।

এদিকে গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ মাদকাসক্ত কি না, তা নিশ্চিত করতে ডোপ টেস্টের উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী জানান, গত সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়া গেছে। এরই মধ্যে ডোপ টেস্টের জন্য আনুষ্ঠানিক আবেদন করা হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) তাদের ডোপ টেস্টের জন্য পাঠানোর কথা রয়েছে।

জিন্নাত আলী বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সীমান্ত দাসের জবানবন্দি সাক্ষী হিসেবে রেকর্ড করার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছিল। মঙ্গলবার তিনি তাঁর বাবার সঙ্গে আদালতে এসে জবানবন্দি দেন।

তদন্ত কর্মকর্তা জানান, সীমান্ত আদালতে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা গ্রেপ্তার দুই আসামি মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির সঙ্গে হুবহু মিলে গেছে। আসামিরা ঘটনার রাতে সীমান্তের বাসায় গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে যে তথ্য দিয়েছিলেন, সীমান্তও আদালতে একই তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী রোববার (২৩ আগস্ট) রংপুর কোতোয়ালি থানায় বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। শুরুতে মামলাটির তদন্ত করছিলেন কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জী। পরে সোমবার রাতে মামলার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

গত শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে রংপুর নগরের কামাল কাছনা এলাকার মাছুয়াপাড়ার একটি বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) এবং ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, চারজনকেই শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

/এসএন