• ঢাকা
  • বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৬ পিএম


নিউইয়র্কের সিনেট নির্বাচনে জয়ী ফি/লি/স্তিনি বংশোদ্ভূত আবের কাওয়াস

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৪ নভেম্বর ২০২৬ ৯:৫৫ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সিনেট নির্বাচনে ১২ নম্বর আসনে জয় পেয়েছেন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত আবের কাওয়াস। ৯০ শতাংশ ভোট গণনা শেষে তিনি পেয়েছেন মোট ভোটের ৭৫ শতাংশ। এই জয়ের মধ্য দিয়ে নিউইয়র্কের রাজনীতিতে নতুন ইতিহাস গড়েছেন তিনি।আবের কাওয়াস নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আইনসভায় নির্বাচিত প্রথম হিজাব পরিহিত ফিলিস্তিনি-আমেরিকান। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের আইনসভায় নির্বাচিত হওয়া অল্প কয়েকজন ফিলিস্তিনি-আমেরিকানের তালিকায় নিজের নাম যুক্ত করেছেন তিনি।নির্বাচনে জয় নিশ্চিত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত বার্তায় কাওয়াস লেখেন, ‘আমরা ইতিহাস গড়েছি।’নির্বাচনী প্রচারে ‘মর্যাদায় বিনিয়োগ, ধ্বংসের বিরুদ্ধে লড়াই’—এই স্লোগানকে সামনে রেখেছিলেন আবের কাওয়াস। ‘মর্যাদায় বিনিয়োগ’ কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য গণপরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং সাশ্রয়ী আবাসনের পক্ষে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।অন্যদিকে, ‘ধ্বংসের বিরুদ্ধে লড়াই’ স্লোগানের আওতায় জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, অভিবাসীদের সুরক্ষা এবং যুদ্ধের পেছনে সরকারি অর্থ ব্যয়ের বিরোধিতা করে প্রচার চালান তিনি। ‘যুদ্ধের জন্য কোনো অর্থ নয়’—এই অবস্থানও ছিল তার নির্বাচনী প্রচারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।আবের কাওয়াস ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকার সদস্য। গত বছর নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচনে এই সংগঠনের সদস্য জোহরান মামদানি ঐতিহাসিক জয় পাওয়ার পর থেকে সংগঠনটির রাজনৈতিক অগ্রযাত্রায় একের পর এক সাফল্য যুক্ত হচ্ছে।এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকার ক্রমবর্ধমানসংখ্যক প্রার্থীর একজন ছিলেন কাওয়াস। নির্বাচনী প্রচারে তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি, সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স এবং কংগ্রেস সদস্য রাশিদা তালাইবসহ বেশ কয়েকজন প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাট।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

/বিএসএস