নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী তিব্বতের গিরং এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল পর্যবেক্ষণে ড্রোন ও আকাশপথে নজরদারি শুরু করেছে চীনের বিমানবাহিনী। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের পর বিবিসির প্রতিবেদনেও বিষয়টি জানানো হয়েছে।
প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রবল পানি ও কাদার স্রোতের ভয়াবহতা দেখা গেছে। এসব স্রোতের কারণে সড়ক, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দুর্যোগ মোকাবিলায় পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) জরুরি সাড়া দেওয়ার পরিকল্পনা সক্রিয় করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে আকাশপথে মানুষ ও উদ্ধার সরঞ্জাম পরিবহনের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরিবহন বিমান, হেলিকপ্টার এবং আরও ড্রোন প্রস্তুত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে সীমান্তের দুই পাশেই নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে জোরালো উদ্ধার অভিযান চলছে।
এদিকে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় নেপালে নিখোঁজ পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে ৫৭৯ জনে পৌঁছেছে। নেপাল পুলিশের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজদের মধ্যে ৪৬৬ জন বিদেশি নাগরিক। তারা মোট ২৮টি দেশের নাগরিক।
অন্যদিকে নিখোঁজ ১১৩ জন নেপালের স্থানীয় নাগরিক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিখোঁজ বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৫৪ জন এবং যুক্তরাজ্যের ৩৩ জন রয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে।
/এসএন