মার্কিন সামরিক অভিযানে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতি আপত্তি জানিয়েছে ইরান। এ বিষয়ে বুলগেরিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বুলগেরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভেলিস্লাভা পেত্রোভা-চামোভার সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে আরাঘচি বলেন, বেজমের বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সামরিক বিমান মোতায়েনের অনুমতি দেওয়া ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার শামিল।
তিনি আরও বলেন, বুলগেরিয়ার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য নয়। পাশাপাশি এটি দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মন্তব্য করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এর আগে একাধিকবার ইরান সতর্ক করে জানিয়েছে, যেসব দেশ তাদের ভূখণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ব্যবহারের সুযোগ দেবে, সেসব দেশকে ‘কঠিন পরিণতি’ ভোগ করতে হতে পারে।
গত সপ্তাহে বুলগেরিয়ার পার্লামেন্ট বেজমের বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আটটি কেসি-১৩৫ জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান এবং ২৫০ জন পর্যন্ত মার্কিন সেনা সদস্যের অস্থায়ী মোতায়েনের অনুমোদন দেয়।
তবে বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়া জানিয়েছে, ওই ঘাঁটিতে কোনো আক্রমণাত্মক অস্ত্র মোতায়েন করা হবে না। একই সঙ্গে এই সিদ্ধান্তের ফলে বুলগেরিয়া কোনো সামরিক সংঘাতের পক্ষ হয়ে যাচ্ছে না বলেও দাবি করেছে দেশটি।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইউরোপের কয়েকটি দেশে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক চাপ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
/এএসএফ