• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৬ এএম


নিজ দেশের দুর্যোগে পাশে শাকিরা, কলম্বিয়ায় নির্মাণ করবেন ১০টি স্কুল

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১৮ আগস্ট ২০২৬ ৯:৪৯ পিএম

ভয়াবহ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত নিজ দেশ কলম্বিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছেন বিশ্বখ্যাত সংগীতশিল্পী শাকিরা। দেশটির সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোর একটি চোকো সফর করে তিনি সেখানে অন্তত ১০টি স্কুল নির্মাণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত একটি বিশ্ববিদ্যালয় পুনর্গঠনে সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন।গত ১০ আগস্ট কলম্বিয়ায় ৭ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে শত শত মানুষের মৃত্যু হয়। পাশাপাশি হাজার হাজার বাড়িঘর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভূমিকম্পের পর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের আবার স্কুলে ফিরিয়ে আনা।মঙ্গলবার চোকোর রাজধানী কুইবদো সফর করেন শাকিরা। তার সঙ্গে ছিলেন মার্কিন ধনকুবের ও সমাজসেবী হাওয়ার্ড জি. বাফেট। সফরে তারা ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন।শাকিরা জানান, তার পিয়েস দেসকালসোস ফাউন্ডেশন হাওয়ার্ড জি. বাফেট ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় চোকোতে অন্তত ১০টি স্কুল নির্মাণের উদ্যোগ নেবে। একই সঙ্গে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিভার্সিদাদ তেকনোলজিকা দেল চোকোর পুনর্গঠনেও সহায়তা করা হবে।এই উদ্যোগে ইতোমধ্যে বড় অঙ্কের অর্থ সহায়তার প্রতিশ্রুতি এসেছে। গ্লোবাল সিটিজেন ও লাইভ নেশন যৌথভাবে ১০ লাখ ডলার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর পাশাপাশি সিএএফ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক আরও আড়াই লাখ ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।শাকিরা বলেন, চোকোর প্রতি দীর্ঘদিনের একটি ‘ঐতিহাসিক ঋণ’ রয়েছে। কলম্বিয়ার তুলনামূলক দরিদ্র ও দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই অঞ্চলের মানুষ যেন দুর্যোগের জরুরি পরিস্থিতি শেষ হওয়ার পর আবারও ভুলে না যায়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।শিক্ষা নিয়ে শাকিরার কাজ অবশ্য নতুন নয়। তার পিয়েস দেসকালসোস ফাউন্ডেশন দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চোকোসহ কলম্বিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে শিশুদের শিক্ষা ও স্কুল অবকাঠামো নিয়ে কাজ করে আসছে। হাওয়ার্ড বাফেটের ফাউন্ডেশনের সঙ্গেও এর আগে একাধিক শিক্ষা প্রকল্পে কাজ করেছেন শাকিরা।ভূমিকম্পের পর এবার শাকিরার উদ্যোগের মূল লক্ষ্য শুধু ক্ষতিগ্রস্ত ভবন পুনর্নির্মাণ নয়, যত দ্রুত সম্ভব শিশুদের আবার শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনা। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনতে স্কুলকে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে দেখছেন তিনি।

/বিএসএস