• ঢাকা
  • রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪১ পিএম


মাদ্রাসা ও কারিগরিতে ২৬২ জাল সনদধারী শনাক্ত, ফেরত আসতে পারে ৫০ কোটি টাকা

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ৭:৩৯ এএম

বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত ২৬২ জন জাল সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীকে শনাক্ত করেছে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। সোমবার (২৭ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত তালিকা শিক্ষা মন্ত্রণালয়-এর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।

ডিআইএর প্রতিবেদনে এসব শিক্ষক-কর্মচারীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার (এমপিও) বাতিল, মামলা দায়ের এবং বেতন-ভাতা বাবদ নেওয়া অর্থ ফেরত নেওয়া। জানা গেছে, এসব জাল সনদধারীর কাছ থেকে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আদায় করা সম্ভব।

তালিকা অনুযায়ী, শনাক্ত হওয়া ২৬২ জনের মধ্যে ২৫১ জন বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-এর সনদ জাল করে চাকরি করছেন বা করেছেন। বাকি ১১ জনের ক্ষেত্রে বিএড, বিপিএড, গ্রন্থাগারসহ অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জাল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এর মধ্যে এনটিআরসিএ সনদ জালকারীদের কাছ থেকে প্রায় ৪৮ কোটি টাকা এবং অন্যদের কাছ থেকে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ফেরত পাওয়া যেতে পারে।

ডিআইএর পরিচালক এম এম সহিদুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের মাধ্যমে এসব তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে এবং পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য তা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শিগগিরই মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরকে নির্দেশনা দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০১২ সাল থেকে ডিআইএ জাল সনদ শনাক্তকরণ কার্যক্রম শুরু করে। এর আগে স্কুল-কলেজে কর্মরত ৪৭১ জন জাল সনদধারী শনাক্ত করা হয়। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত জাল সনদে চাকরি করা শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৪৯ জনে।

তবে পূর্বে নেওয়া কিছু সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অনেক শিক্ষক-কর্মচারী উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করায় কিছু ক্ষেত্রে ব্যবস্থা বাস্তবায়ন জটিল হয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে।