সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য এলাকায় জাতীয় ছাত্রশক্তির উদ্যোগে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে বক্তারা বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিন ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। একই সঙ্গে অনেক এলাকায় গ্যাস সংকটের কারণে রান্নার চুলা জ্বালাতেও মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
তাদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকলেও জুন ও জুলাই মাসের বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। অনেকের ক্ষেত্রে বিল দ্বিগুণেরও বেশি এসেছে। বিদ্যুৎ ব্যবহারের সঙ্গে বিলের এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা নেই বলেও দাবি করেন তারা।
বক্তারা আরও বলেন, বিভিন্ন পাম্পে গ্যাস সরবরাহ নেই, অথচ সরকার গ্যাসের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। সংকট নিরসনের উদ্যোগ নেওয়ার পরিবর্তে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে। কোথাও কোথাও দিনে ১২ ঘণ্টারও বেশি লোডশেডিং হচ্ছে। একই সঙ্গে বিদ্যুতের বিলও দুই থেকে তিন গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
বিক্ষোভকারীরা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির বিষয়টিও তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তারা বলেন, নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জনগণের সমস্যার সমাধান, অধিকার নিশ্চিত করা এবং দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে মানুষ বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের পাশাপাশি উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপও মোকাবিলা করছে।
তারা বলেন, বর্তমানে এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলে পরবর্তী দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। তাই দ্রুত গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসন এবং জনভোগান্তি কমাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা।
/এসএন