ইরান দাবি করেছে, জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে এবং এতে যুক্তরাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এ দাবি অস্বীকার করে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হামলায় ছোড়া সব ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে এবং কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
বুধবার (২৯ জুলাই) এ হামলার পর উভয় পক্ষের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে ঘটনাটি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এ হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনায় বড় ধরনের আঘাত হানা হয়েছে। অন্যদিকে সেন্টকমের ভাষ্য, এটি ছিল একটি আকস্মিক হামলার চেষ্টা (Surprise Attack), তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সব ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হামলার সময়টি ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হোয়াইট হাউসে বৈঠকে ছিলেন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ইরান আগের তুলনায় আরও সক্রিয় ও আক্রমণাত্মক কৌশল গ্রহণ করছে। তবে এটি স্থায়ী নীতিগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত কি না, সে বিষয়ে এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
এদিকে হামলার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি এবং ঘটনার বিস্তারিত বিষয়ে এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো তথ্য প্রকাশিত হয়নি। ফলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দাবিগুলো যাচাই না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
সূত্র: রয়টার্স