• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৩ এএম


শুক্রবার রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়তে পারেন মো. সাহাবুদ্দিন

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২৩ জুলাই ২০২৬ ৫:৫৬ পিএম

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়ার পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদে থাকা-না থাকা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। তবে সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী তার কাছেই শপথ নেয় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। পরে ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর বিএনপিও রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছেই শপথ নিয়ে সরকার গঠন করে।

গত দুই বছরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন রাষ্ট্রপতির অপসারণের দাবি জানালেও বিএনপি সে দাবির সঙ্গে একমত হয়নি। বরং দলটি তাকে দায়িত্বে বহাল রাখার পক্ষে অবস্থান নেয়।

জানা গেছে, চলতি মাসের শুরুতে বিএনপি সরকার রাষ্ট্রপতিকে মৌখিকভাবে পদত্যাগের অনুরোধ জানায়। সে সময় তিনি কিছুটা সময় চান। বঙ্গভবনের একাধিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানা যায়, শুক্রবার তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করতে পারেন। কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুর নাগাদ তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠাতে পারেন।

পারিবারিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শারীরিকভাবে অসুস্থ। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) করা সিটি স্ক্যান ও এমআরআই পরীক্ষায় তার স্নায়ুবিষয়ক জটিলতা ধরা পড়েছে। এ কারণে পদত্যাগের পর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।

এদিকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে আরও দাবি করা হয়েছে, চলতি বছরের ৯ মে রাষ্ট্রপতি লন্ডন সফরে যান এবং ১৮ মে দেশে ফেরেন। ওই সফরের সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে তিনি টেলিফোনে কথা বলেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বিষয়টি জানতে পারার পর তাকে পদত্যাগের বার্তা দেওয়া হয় বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অপারগ হলে অথবা পদত্যাগ করতে চাইলে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বিধান রয়েছে।

/এসএন