দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা পাঁচ দিন ধরে তাপপ্রবাহ চললেও আগের তুলনায় এর তীব্রতা ও বিস্তৃতি ধীরে ধীরে কমছে। কয়েকদিন আগে যেখানে ২৭ জেলায় তাপপ্রবাহ ছিল, পরে তা ২০ জেলায় নেমে আসে এবং আজ তা ১৬ জেলায় সীমিত হয়েছে।
চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কয়েক দিন আগে রাজশাহীতে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠেছিল। পরদিন যশোরে সর্বোচ্চ ৩৮ ডিগ্রি এবং আজ রাজশাহীতে ৩৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। রাজধানীতেও তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে। আগের দিন ৩৭ ডিগ্রি থাকলেও আজ তা নেমে এসেছে ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রিতে। তবে বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরমে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
আবহাওয়াবিদ খোন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, তাপপ্রবাহের তীব্রতা ধীরে ধীরে কমছে এবং শনিবার নাগাদ আরও কমতে পারে। রবিবার থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা তাপপ্রবাহ প্রশমনে সহায়তা করবে।
গত ২৪ ঘণ্টায় কুড়িগ্রামের রাজারহাট ছাড়া কোথাও বৃষ্টি হয়নি এবং আজও বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। তবে আগামী রবিবার থেকে রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়া, বজ্রপাতসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণও হতে পারে। এই পরিস্থিতি কয়েক দিন স্থায়ী হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাবে, তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি হলে মৃদু তাপপ্রবাহ, ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি হলে মাঝারি, ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি হলে তীব্র এবং ৪২ ডিগ্রির বেশি হলে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ ধরা হয়।