• ঢাকা
  • রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম


বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বলে ৫০০ হার্ৎজ সেন্সর,নজর এখন ভিএআরে

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২৫ মে ২০২৬ ১০:২৪ পিএম

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১১ জুন পর্দা উঠছে ফুটবল বিশ্বকাপের। এবারের আসর ইতিহাসে বিশেষ, কারণ প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নেবে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই মঞ্চে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপ।তবে বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে নতুন অফিসিয়াল ম্যাচ বল ‘ট্রাইওন্ডা’।

বিশ্বকাপের জন্য বিশেষভাবে বলটি তৈরি করেছে অ্যাডিডাস । আধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি এই স্মার্ট বল ভিএআর সিদ্ধান্তকে আরও নিখুঁত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিন আয়োজক দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর নামের সমন্বয়ে রাখা হয়েছে ‘ট্রাইওন্ডা’ নামটি। বলটির ডিজাইনেও ব্যবহার করা হয়েছে তিন দেশের পতাকার রং—নীল, লাল ও সবুজ।সবচেয়ে বড় আকর্ষণ অবশ্য বলটির ভেতরের প্রযুক্তি। এতে ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক ডিপ-সিম প্রযুক্তি ও ৫০০ হার্ৎজ মোশন সেন্সর। এই সেন্সর প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫০০ বার ডেটা সংগ্রহ করতে সক্ষম। ফলে বল কখন, কোথায় এবং কত গতিতে যাচ্ছে কিংবা কোন খেলোয়াড় সেটিকে স্পর্শ করছে—এসব তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্লেষণ করা যাবে।

মাত্র ১৪ গ্রাম ওজনের সেন্সরটি এমনভাবে বলের ভেতরে বসানো হয়েছে যাতে বলের স্বাভাবিক গতি, ওজন কিংবা বাউন্সে কোনও প্রভাব না পড়ে। বাইরে থেকে দেখেও বোঝার উপায় থাকবে না যে বলের ভেতরে রয়েছে এত উন্নত প্রযুক্তি।নতুন এই বলের আরেকটি বিশেষ দিক হলো এর পাওয়ার সিস্টেম। ম্যাচ শুরুর আগে বলটি চার্জ করতে হবে এবং একবার পূর্ণ চার্জ হলে সেন্সরটি প্রায় ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত সচল থাকবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্টেডিয়ামের ক্যামেরা ও বলের ভেতরের সেন্সর একসঙ্গে কাজ করায় ভিএআর প্রযুক্তি আরও নির্ভুল হবে। অফসাইড, হ্যান্ডবল কিংবা বল স্পর্শের মতো বিতর্কিত মুহূর্তগুলো দ্রুত ও সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে।‘ট্রাইওন্ডা’ তাই শুধু একটি ফুটবল নয়, বরং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট ফুটবলের নতুন যুগের প্রতীক হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

/বিএসএস