নেইমারকে ছাড়াই কি হেক্সা মিশনে নামবে সেলেসাওরা?
বিশ্বকাপের আগে শেষ আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে মিশ্র পারফরম্যান্স করেছে ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল। ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ২–১ গোলের হার এবং পরে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩–১ গোলের জয়—দুই ম্যাচ মিলিয়ে দল নিয়ে কিছুটা স্বস্তি পেলেও চিন্তা বেড়েছে কোচ কার্লো আনচেলত্তির।
এই প্রীতি ম্যাচগুলোতে কয়েকজন ফুটবলারের জায়গা প্রায় নিশ্চিত হয়েছে। দানিলো, ব্রেমার ও ডগলাস সান্তোসের পারফরম্যান্স কোচের দ্বিধা দূর করেছে। বিশ্বকাপের সম্ভাব্য ২৬ সদস্যের দলে অন্তত ২২ জনকে মোটামুটি ঠিক করে ফেলেছেন আনচেলত্তি। এনদ্রিক ও ইগর থিয়াগোকেও প্রায় নিশ্চিত ধরা হচ্ছে।
তবে বড় ধাক্কা আসে চেলসির তরুণ উইঙ্গার এস্তেভাওয়ের গুরুতর হ্যামস্ট্রিং চোটে। তাঁর বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা এখন অনিশ্চিত। এর আগে এসিএল চোটে ছিটকে গেছেন রদ্রিগোও। ফলে আক্রমণভাগে বড় শূন্যতা তৈরি হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে নতুন করে আলোচনায় এসেছে নেইমার। ৩৪ বছর বয়সী তারকা চোট কাটিয়ে সান্তোসে ফিরলেও তাঁর পারফরম্যান্স এখনো ধারাবাহিক নয়। তবে মৌসুমের শেষ দিকে কয়েকটি ম্যাচজয়ী পারফরম্যান্স দিয়ে আবারও আলোচনায় ফিরেছেন তিনি।
সমর্থকদের বড় অংশ এখনো নেইমারকে দলে দেখতে চান। সাম্প্রতিক দুটি জরিপে প্রায় অর্ধেকের বেশি মানুষ তাঁর জাতীয় দলে ফেরার পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে সাবেক অধিনায়ক কাফু ও কিংবদন্তি জিকোর মতে, জাতীয় দলে ফিরতে হলে নিয়মিত ম্যাচ খেলে ছন্দ ফিরে পাওয়া জরুরি।
আনচেলত্তি অবশ্য পরিষ্কার জানিয়েছেন—শুধু পুরোপুরি ফিট খেলোয়াড়দেরই বিশ্বকাপ দলে নেওয়া হবে। দল ঘোষণার আগে নেইমার হাতে পাবেন সর্বোচ্চ ছয়টি ক্লাব ম্যাচ। ফলে তাঁর বিশ্বকাপ ভাগ্য এখনো ঝুলে আছে অনিশ্চয়তায়।
এস্তেভাওয়ের চোটে দরজা কিছুটা খুলেছে—এখন সেই সুযোগ কাজে লাগানো পুরোপুরি নেইমারের ওপরই নির্ভর করছে।