• ঢাকা
  • রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম


শাপলা চত্বরের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশনের দাবি জামায়াত আমিরের

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৫ মে ২০২৬ ১১:৫৪ এএম

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলাকালে বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তৃণমূল কংগ্রেস-এর দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করে আগুন দেওয়া এবং দখল করার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-এর বিরুদ্ধে।

সোমবার (৪ মে) সকালে ভোট গণনা শুরু হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়।

জরিপে ইঙ্গিত মিলেছে, দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেসকে হটিয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গের মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে প্রায় ২০০ আসনে এগিয়ে রয়েছে দলটি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নদীয়ার নবদ্বীপ কেন্দ্রে বিজেপি জয়লাভ করার পর রেলগেট সংলগ্ন তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। সেখানে ভাঙচুরের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র বাইরে এনে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কার্যালয়টি দখল করে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় দায়ের অভিযোগের তীর বিজেপির দিকেই নির্দেশ করা হয়েছে। নবদ্বীপে জয়লাভের পর বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা এ ধরনের তাণ্ডব চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে আসানসোলের জামুরিয়াতেও তৃণমূল কংগ্রেসের একটি অফিসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি আসানসোলে ভোট গণনা এজেন্টদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। এ সময় সেখানে বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালানো হয়। পরে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

অন্যদিকে কুচবিহারের দিনহাটায় ভোট গণনা কেন্দ্রের সামনে দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (সিএপিএফ) লাঠিচার্জ করে।

আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনার প্রণব কুমার এসব ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

এদিকে আসাম রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনেও বড় ব্যবধানে জয় পেতে যাচ্ছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। গত ৯ এপ্রিল সেখানে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সোমবারের গণনায় দেখা গেছে, এনডিএ জোট ১০১টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।

আসামের মোট ১২৬টি আসনের মধ্যে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ৬৪টি আসন, যা এনডিএ সহজেই অর্জন করতে যাচ্ছে।

এনডিএর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট মাত্র ২১টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। এছাড়া এআইইউডিএফ জোট এগিয়ে আছে দুটি আসনে। সর্বশেষ নির্বাচনে অন্যান্য দল চারটি আসন পেলেও এবার তারা কোনো আসনই পাবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই বড় জয়ের মাধ্যমে আসামে আবারও এনডিএ সরকার গঠন করতে যাচ্ছে এবং মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন হিমান্ত বিশ্ব শর্মা।