রাজধানী ঢাকার চারটি বাস টার্মিনাল অতিদ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন কক্ষে রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নসংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু।
তিনি জানান, রাজধানীর যানজট নিরসনের লক্ষ্যে চারটি আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল দ্রুত শহরের বাইরে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
স্থানান্তরের আওতায় থাকা চারটি আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল হলো ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান বাস টার্মিনাল, গাবতলী বাস টার্মিনাল, মহাখালী বাস টার্মিনাল এবং সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনাল।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান বাস টার্মিনাল কেরানীগঞ্জে স্থানান্তর করা হবে। মহাখালী বাস টার্মিনাল প্রথমে অস্থায়ীভাবে পূর্বাঞ্চলে নেওয়া হবে এবং পরে স্থায়ীভাবে টঙ্গির কাছে স্থানান্তর করা হবে। গাবতলী আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল সরিয়ে নেওয়া হবে হেমায়েতপুরে এবং সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনাল স্থানান্তর করা হবে কাঁচপুরে।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আরও জানান, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যত্রতত্র ছড়িয়ে থাকা বাস কাউন্টারগুলো দ্রুত সরিয়ে নির্ধারিত স্থানে নেওয়ার জন্যও সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থা আধুনিকায়ন, এআই ক্যামেরা স্থাপনসহ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
ট্রাফিক সিগন্যালিংয়ে এআই ক্যামেরা স্থাপনের সুফল পাওয়া যাচ্ছে উল্লেখ করে এ বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে এটি প্রধানমন্ত্রীর তৃতীয় বৈঠক।
সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিব, সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, স্বরাষ্ট্র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, রাজউকের চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।