রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
পরমাণু শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দেশের প্রথম রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র-এর প্রথম ইউনিটে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) শুরু হচ্ছে ‘ফুয়েল লোডিং’ কার্যক্রম।
এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি অংশ নেবেন রোসাটম-এর মহাপরিচালক এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা-এর প্রতিনিধিরা।
⚡ বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে বড় অগ্রগতি
রিঅ্যাক্টরে ইউরেনিয়াম জ্বালানি লোডিংয়ের মাধ্যমে প্রকল্পটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের শেষ ধাপে প্রবেশ করবে। পরীক্ষামূলক ধাপ শেষ হলে আগামী আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
পর্যায়ক্রমে উৎপাদন বাড়িয়ে—
দুই মাসের মধ্যে ৫০০ মেগাওয়াট
বছরের শেষ নাগাদ বা ২০২৭ সালের শুরুতে ১,২০০ মেগাওয়াট (প্রথম ইউনিট পূর্ণ সক্ষমতা)
🔋 পূর্ণ সক্ষমতায় কী মিলবে?
দুই ইউনিট চালু হলে মোট উৎপাদন হবে প্রায় ২,৪০০ মেগাওয়াট, যার মধ্যে প্রায় ২,২০০ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে। এতে প্রায় ২ কোটি মানুষের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে বড় ভূমিকা রাখবে।
🧪 বিশেষ আয়োজন
এই ঐতিহাসিক ধাপ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে যুক্ত থাকবেন রাফায়েল ম্যারিয়ানো গ্রসি। এছাড়া উপস্থিত থাকবেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্টরা।
📌 সারসংক্ষেপ
রূপপুর প্রকল্পের ‘ফুয়েল লোডিং’ শুধু একটি প্রযুক্তিগত ধাপ নয়—এটি বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে এক নতুন যুগের সূচনা, যা ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।