• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫২ এএম


ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২৭ আগস্ট ২০২৬ ২:৪৬ পিএম

চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের পরিদর্শক মজিবুর রহমান গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ডনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। পরে আদালত আসামির উপস্থিতিতে রিমান্ড আবেদনের শুনানির জন্য ২৭ আগস্ট তারিখ নির্ধারণ করেন।

যে তিন কারণে রিমান্ড চাওয়া হয়

ডনকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা তিনটি কারণ উল্লেখ করেন।

প্রথমত, মামলাটি অত্যন্ত আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর। এ মামলার ভিকটিম জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ। মামলার পর অর্থাৎ ১৯৯৬ সাল থেকে সালমান শাহর মা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে আসছেন। এ দাবিতে তিনি বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তৎপর রয়েছেন। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ডনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের সম্ভাবনা রয়েছে।

দ্বিতীয়ত, রিমান্ড আবেদনে ডনকে অত্যন্ত সুকৌশলী ও ধূর্ত প্রকৃতির ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে মামলার ঘটনায় জড়িত অন্য সহযোগী আসামিদের অবস্থান শনাক্ত ও তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হতে পারে বলে আবেদনে জানানো হয়। মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং তদন্তের স্বার্থে তাকে পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করা হয়।

তৃতীয়ত, ডনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও তিনি বিভিন্ন কৌশলে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কী কারণে এবং কার ইন্ধনে তিনি বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন, সে বিষয়ে তথ্য উদঘাটনসহ মামলার প্রকৃত রহস্য জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান।

এর আগে গত ৯ আগস্ট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। পরে তাকে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওইদিনই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

১২ আগস্ট ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে ডনের জামিনের আবেদন করা হলে আদালত তা নাকচ করে দেন। এরপর ২৫ আগস্ট দায়রা আদালতেও তার জামিন আবেদন করা হয়। সেখানেও আদালত তার জামিন আবেদন নাকচ করেন।

/এসএন