• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২০ এএম


যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয় পেলেন দুই বাংলাদেশি

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৪ নভেম্বর ২০২৬ ৭:৩৩ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই রাজনীতিক। তারা হলেন জর্জিয়ার স্টেট সিনেটর শেখ রহমান ও কানেকটিকাটের স্টেট সিনেটর এমডি মাসুদুর রহমান। তবে নিউ হ্যাম্পশায়ারের আইনসভার সদস্য আবুল খানের নির্বাচনি ফল এখনো নিশ্চিতভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।জর্জিয়ার স্টেট সিনেটের ৫ নম্বর আসনে শেখ রহমানের বিপরীতে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। প্রাথমিক হিসাবে এ নির্বাচনে তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ৩৫ হাজার ১০১। এর আগে গত ১৯ মে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাথমিক নির্বাচনে রবিন ম্যাককয়কে পরাজিত করে দলের মনোনয়ন নিশ্চিত করেছিলেন শেখ রহমান।শেখ রহমানের পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জে। তিনি জর্জিয়ার প্রথম মুসলিম ও এশীয় বংশোদ্ভূত স্টেট সিনেটর। ২০১৮ সালে প্রথমবার নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে অঙ্গরাজ্যটির ৫ নম্বর সিনেট আসনের প্রতিনিধিত্ব করে আসছেন তিনি। ২০২৪ সালের নির্বাচনেও রিপাবলিকান প্রার্থী লিসা ব্যাবেজকে প্রায় দ্বিগুণ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়েছিলেন এই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রাজনীতিক।অন্যদিকে, কানেকটিকাটের স্টেট সিনেটের ৪ নম্বর আসনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী এমডি মাসুদুর রহমান পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনে তিনি রিপাবলিকান প্রার্থী জেন জেনিংসকে পরাজিত করেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সিটি ইনসাইডারের প্রকাশিত প্রাথমিক ফলাফলে তার জয়ের তথ্য জানানো হয়েছে। তবে এ নির্বাচনে তিনি মোট কত ভোট পেয়েছেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি।মাসুদুর রহমানের পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জে। ২০২২ সালে প্রথমবারের মতো কানেকটিকাটের স্টেট সিনেটর নির্বাচিত হন তিনি। এরপর ২০২৪ সালের নির্বাচনে ৩৩ হাজার ৯৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছিলেন।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ের আইনসভায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পাঁচজন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তারা হলেন শেখ রহমান, নাবিলা ইসলাম পার্কস, নূরুন নবী, এমডি মাসুদুর রহমান ও আবুল খান। তবে ২০২৬ সালের নির্বাচনে নূরুন নবী ও নাবিলা ইসলাম পার্কসের প্রার্থিতার বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ কারণে এবারের নির্বাচনি ফলাফলের তালিকায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

/বিএসএস