• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০৮ এএম


শিক্ষকতায় যোগ দিলেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডার্ন

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ৮:০৬ পিএম

নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডার্ন এবার শিক্ষকতার নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিথি শিক্ষক ও পরামর্শক হিসেবে যোগ দিয়েছেন তিনি। চলতি মাসে নতুন এই দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, সামাজিক সম্প্রীতি ও জনস্বাস্থ্য বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাচ্ছেন দেশটির সাবেক এই সরকারপ্রধান।বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জেসিন্ডা আর্ডার্নের দায়িত্ব মূলত শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বের দক্ষতা, সামাজিক সম্প্রীতি এবং জনস্বাস্থ্য বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া। এটি তাঁর পূর্ণকালীন চাকরি নয়। বরং বিশেষ মাস্টারক্লাস, বক্তৃতা ও পরামর্শমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি শিক্ষার্থীদের শেখাবেন এবং তাঁদের অভিজ্ঞতা অর্জনে সহায়তা করবেন।নতুন এই দায়িত্ব পেয়ে আনন্দিত জেসিন্ডা আর্ডার্ন। রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর পর থেকেই কঠিন পরিস্থিতিতে কীভাবে একজন কার্যকর ও দায়িত্বশীল নেতা হয়ে ওঠা যায়, তা নিয়ে তিনি ভাবছিলেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা থেকে শেখার সুযোগ পেয়ে সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও উৎসাহিত।২০১৭ সালে মাত্র ৩৭ বছর বয়সে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনায় আসেন জেসিন্ডা আর্ডার্ন। দায়িত্ব পালনকালে ক্রাইস্টচার্চে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা, হোয়াইট আইল্যান্ডে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত এবং করোনা মহামারির মতো সংকট মোকাবিলা করতে হয় তাঁকে।এসব সংকট মোকাবিলায় তাঁর নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধরন আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত হয়েছিল। বিশেষ করে সংকটের সময়ে জনসাধারণের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সহমর্মিতাপূর্ণ নেতৃত্বের জন্য তিনি পরিচিতি পান।২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়ার পর রাজনীতি থেকে অবসর নেন জেসিন্ডা আর্ডার্ন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও বিভিন্ন একাডেমিক কার্যক্রমে যুক্ত হন তিনি।বর্তমানে স্বামী ও সন্তানকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বসবাস করছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে এবার তরুণদের নেতৃত্বের বিকাশ ও সামাজিক নানা বিষয়ে তাঁদের চিন্তাভাবনা গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখতে চান তিনি।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

/বিএসএস