• ঢাকা
  • বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৪ এএম


ক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় নেতানিয়াহু, নির্বাচনের পথে ইসরায়েল

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১৪ জুলাই ২০২৬ ৮:৪৭ পিএম

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের হামলার পর এই প্রথম জাতীয় নির্বাচনের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ইসরায়েল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচন শুধু নতুন সরকার গঠনের জন্যই নয়, যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের জনপ্রিয়তারও বড় ধরনের পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে নেতানিয়াহুর দল এককভাবে সবচেয়ে বেশি আসনে জয় পেলেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। ফলে সরকার গঠনের জন্য তাকে উগ্র ডানপন্থি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জোট বাঁধতে হয়।

এই জোটের মাধ্যমে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে উগ্র ডানপন্থি সরকার গঠিত হয়। সমালোচকদের দাবি, এই সরকারের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল ফিলিস্তিনিদের ভূমি দখল সম্প্রসারণ এবং তাদের মৌলিক অধিকার আরও সংকুচিত করা।ইসরায়েলের জাতীয় সংসদ ‘নেসেট’ নামে পরিচিত। দ্য গার্ডিয়ান–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান নেসেটের আর মাত্র কয়েকটি অধিবেশন বাকি রয়েছে। তাই আগামী শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ ভেঙে দেওয়া হবে। এরপরই জাতীয় নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে।সংসদ ভেঙে দেওয়ার আগেই নেতানিয়াহুর জোট সরকার কয়েকটি বিতর্কিত আইন পাস করানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এসব আইনের মাধ্যমে নির্বাচনের আগে সাধারণ ভোটারদের সমর্থন নিজেদের দিকে টানার কৌশল নেওয়া হচ্ছে।

একই সঙ্গে প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের জমি দখল করে নির্বাচনের আগ পর্যন্ত নতুন নতুন অবৈধ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের গতি আরও বাড়তে পারে। এর ফলে ওই অঞ্চলে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও দমন-পীড়নের ঘটনাও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।বিভিন্ন জনমত জরিপে ইঙ্গিত মিলেছে, এবারের নির্বাচনে ৭৬ বছর বয়সী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রধানমন্ত্রীর পদ হারাতে পারেন। তবে অতীতেও একাধিকবার জনমত জরিপের পূর্বাভাস ভুল প্রমাণ করে তিনি ক্ষমতায় ফিরেছেন। ফলে আসন্ন নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল কী হয়, সেদিকে গভীর নজর রাখছে আন্তর্জাতিক মহল।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

/বিএসএস