দীর্ঘ ১৪ বছরেও সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ভাঙাচোরা ও জলাবদ্ধতায় ভোগান্তির প্রতিবাদ জানিয়ে তারা সড়কে কচুগাছ লাগান এবং প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে প্রায় আধা ঘণ্টা সড়কে অবস্থান নিয়ে এ প্রতীকী কর্মসূচি পালন করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শহরের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরেই খানাখন্দে ভরা। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কে হাঁটুসমান পানি জমে যায়। এতে প্রতিদিন শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। অতিবৃষ্টি হলে সড়কের জমে থাকা পানি আশপাশের বসতবাড়িতেও ঢুকে পড়ে।
প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন সরদার সাফায়াত হোসেন, শফিকুল ইসলাম সুজন, রুমা আক্তার, হারুন অর রশীদ, রিয়াজ হাওলাদার ও ইউনুস হাওলাদার। তারা দ্রুত সড়কটির সংস্কার এবং কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবি জানান।
বক্তারা বলেন, সর্বশেষ ২০১২ সালে সড়কটির সংস্কার করা হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ১৪ বছরেও সেখানে আর কোনো উন্নয়নকাজ হয়নি। এই সময়ের মধ্যে সড়কের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। ফলে প্রতিদিন দুর্ভোগ নিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী টিএম রেজাউল হক রিজভী জানান, সড়ক সংস্কারের জন্য ইতোমধ্যে দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পের অর্থ এসআইবিএল ব্যাংকে জমা থাকলেও অর্থ ছাড় না হওয়ায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইসলাম ব্রাদার্স এখনো কাজ শুরু করতে পারেনি।
তিনি আরও বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই যাতে কাজ শুরু করা যায়, সে জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।
/এসএন