• ঢাকা
  • বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২০ এএম


জার্মান পর্যটকের চুরি হওয়া ম্যাকবুক উদ্ধার, নাটোরে নতুন রহস্য

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১২ অক্টোবর ২০২৬ ৯:৪১ পিএম

জার্মান পর্যটকের চুরি হওয়া ম্যাকবুক উদ্ধার, নাটোরে নতুন রহস্য

নাটোর রেলস্টেশনে গত ৭ অক্টোবর ট্রেনে ওঠার সময় চুরি হওয়া জার্মান পর্যটক ক্রিল ল্যান্ডারের ম্যাকবুক ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ল্যাপটপটি উদ্ধারের পর ঘটনাটি ঘিরে নতুন রহস্য ও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। কীভাবে ল্যাপটপটি একটি কাপড়ের দোকানে গেল, তা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন দাবি সামনে এসেছে।

কাপড়িয়াপট্টি এলাকার ব্যবসায়ী অমল কুমার সাহা দাবি করেছেন, গত ৮ অক্টোবর তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনে নওগাঁ যাওয়ার সময় তিনি আসনের নিচে ল্যাপটপটি পান। পরে ছেলে অন্তর কুমার সাহার সঙ্গে আলোচনা করে পুলিশকে বিষয়টি জানান বলেও দাবি করেন তিনি।

তবে পুলিশ ও ক্রিল ল্যান্ডারের বক্তব্য, ল্যাপটপটির অবস্থান শনাক্ত করতে লোকেশন ট্র্যাক করার পর তাঁরা ওই দোকানে পৌঁছান।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে ক্রিল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অন্য ডিভাইসের মাধ্যমে আমি সারাক্ষণ ম্যাকবুকের লোকেশন দেখছিলাম এবং সেটি পুলিশ ও এসআরবিকে পাঠাতে থাকি। মাঝে কয়েক দিন লোকেশন পাওয়া যায়নি। রবিবার রাতে লোকেশন পাঠানোর পর পুলিশ ওই দোকানের ভেতর থেকে ল্যাপটপ উদ্ধার করে।’

পুলিশ বলছে, ব্যবসায়ী অমল কুমার সাহা বা তাঁর ছেলে অন্তর কুমার সাহা এ ঘটনায় জড়িত কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি।

ক্রিলও জানিয়েছেন, ল্যাপটপটি কীভাবে ওই দোকানে গেল, তা তিনি নিশ্চিত নন। তিনি বলেন, ‘আমি ঠিক নিশ্চিত নই, কীভাবে ওই দোকানে ল্যাপটপ গেল। মাঝে কয়েক দিন লোকেশন পাইনি। পুলিশ ল্যাপটপ নিয়ে ঢাকায় আসবে। সংবাদ সম্মেলন করবে, সেখানে বিস্তারিত জানা যাবে।’

নাটোর পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ব্যবসায়ীর ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা এখনও তাকে গ্রেফতার বা আটক দেখাচ্ছি না। অধিকতর তদন্তের জন্য নিয়ে এসেছি।’

এদিকে উদ্ধার অভিযানের সময় উপস্থিত থাকা একাধিক ব্যক্তি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ক্রিলের দেওয়া লোকেশন অনুযায়ী ওই দোকানে প্রথমে পৌঁছায় এসআরবি। সে সময় ব্যবসায়ী অমল কুমার সাহা বা তাঁর ছেলে দোকানে ছিলেন না। তল্লাশি চালিয়েও তখন ল্যাপটপ পাওয়া যায়নি।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এরপর ব্যবসায়ী ও তাঁর ছেলে দোকানে এলে ল্যাপটপটি উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

ল্যাপটপটি উদ্ধার হলেও সেটি কীভাবে দোকানে পৌঁছাল এবং ব্যবসায়ীর দাবির সঙ্গে লোকেশন অনুসরণ করে উদ্ধারের বর্ণনার পার্থক্য কেন—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি। পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

/এএসএফ