• ঢাকা
  • সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০১:০৫ এএম


‘ছয় মাসও টিকবে না থালাপতি বিজয়ের সরকার’, কড়া মন্তব্য ডিএমকে নেতার

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১৯ মে ২০২৬ ১০:৪৭ পিএম

ভারতের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারকে নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধী দল দ্রাবিড়া মুনেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) প্রধান অনিথা রাধাকৃষ্ণন। তিনি দাবি করেছেন, বিজয়ের সরকার ছয় মাসও টিকতে পারবে না।

রোববার (১৭ মে) দক্ষিণ তামিলনাড়ুতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বর্তমানে তামিলাগা ভেত্রি কাগাজম (টিভিকে) ১০৭টি আসন নিয়ে এককভাবে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে অবস্থান করছে। তাদের মিত্র কংগ্রেসের রয়েছে আরও পাঁচটি আসন। এছাড়া ডিএমকের চার মিত্র দলের প্রত্যেকের দুটি করে আসন রয়েছে। ফলে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে টিভিকে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্যের সময় অনিথা রাধাকৃষ্ণন টিভিকের জ্যেষ্ঠ নেতা আধব অর্জুনকে প্রকাশ্যে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জও ছুড়ে দেন। তিনি বলেন, সাহস থাকলে আধব যেন নিজের বিধায়ক পদ ছেড়ে তিরুচেন্দুরে এসে সরাসরি তাদের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

নিজ দলের জেলা সম্পাদকদের উদ্দেশ্যে রাধাকৃষ্ণন বলেন, বর্তমান সরকার যেকোনো সময় পড়ে যেতে পারে। তাই দলকে এখন থেকেই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, “এই পরাজয় সাময়িক। বর্তমান সরকার যেকোনো সময় পড়ে যেতে পারে। প্রস্তুত থাকুন। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে আবারও বিধানসভা নির্বাচন হতে পারে। আমরা ঘুরে দাঁড়াব এবং আবার জিতব।”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের উপস্থিতি আরও জোরদার করার আহ্বানও জানান ডিএমকে নেতা। তার ভাষায়, বিজয়ের দল টিভিকে এই ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে রয়েছে। তিনি বলেন, “যে রাজনীতি আমরা একসময় চায়ের দোকানে বলতাম, এখন তা বলতে হবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হ্যান্ডেলে।”

তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে টিভিকের উত্থানকে বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের মাধ্যমে তারা ডিএমকে ও এআইএডিএমকের দীর্ঘ ৫৯ বছরের আধিপত্য ভেঙে দিয়েছে। দক্ষিণ ভারতের রাজনীতি এতদিন মূলত এই দুই বড় দলের নিয়ন্ত্রণেই ছিল।

তবে এসব মন্তব্যকে গুরুত্ব দিচ্ছে না টিভিকে। দলটির সূত্র জানিয়েছে, পূর্ণ মেয়াদ সরকার পরিচালনা করার মতো প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাদের রয়েছে এবং এ বিষয়ে তারা আত্মবিশ্বাসী।

/এসএন