বিশ্বকাপে বড় দলকে রুখে দিয়ে খ্যাতি পেয়েছিলেন। বয়স ৪০ হলেও গোলপোস্টের নিচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছিলেন কেপ ভার্দের গোলকিপার ভোজিনহা। এবার তার সামনে আরও বড় স্বীকৃতির হাতছানি। ২০২৬ ব্যালন ডি’অরে বর্ষসেরা গোলকিপার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন তিনি।
বর্ষসেরা গোলকিপারের ১০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন ভোজিনহা। বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর টুর্নামেন্টের অন্যতম জনপ্রিয় খেলোয়াড়ে পরিণত হন তিনি।
এই তালিকায় রয়েছেন আর্সেনালের ডেভিড রায়া, প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের মাতভেই সাফোনভ এবং রিয়াল মাদ্রিদের থিবো কুর্তোয়া। তবে বর্তমান ইয়াশিন ট্রফি জয়ী জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা এবার তালিকায় জায়গা পাননি। বাদ পড়েছেন লিভারপুলের অ্যালিসন বেকারও। বিশ্বকাপে নিজ নিজ দলের প্রথম পছন্দের গোলকিপার মাইক মাইন্যাঁ ও জর্ডান পিকফোর্ডও নেই এই তালিকায়।
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে স্পেনের বিপক্ষে কেপ ভার্দের ঐতিহাসিক পারফরম্যান্সে বড় ভূমিকা ছিল ভোজিনহার। ম্যাচটিতে তিনি সাতটি সেভ করেন। শেষ পর্যন্ত বর্তমান চ্যাম্পিয়ন স্পেনের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে কেপ ভার্দে।
এরপর গ্রুপ পর্বের বাধাও পেরিয়ে যায় আফ্রিকার দেশটি। তবে অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয় তাদের।
বিশ্বকাপের আগে পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব শাভেসে দ্বিতীয় মৌসুম কাটাচ্ছিলেন ভোজিনহা। সেখানে ১৯টি ম্যাচে খেলেছিলেন তিনি।
বিশ্বকাপের পর ভোজিনহা পাড়ি জমান চিলির ক্লাব কলো-কোলোতে। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার জনপ্রিয়তা এখন আকাশছোঁয়া। ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২ কোটি ৯০ লাখ।
আগামী ২৬ অক্টোবর লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে ব্যালন ডি’অর পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান। সেদিনই ঘোষণা করা হবে গোলকিপার অব দ্য ইয়ারের বিজয়ীর নাম।
বর্ষসেরা গোলকিপারের মনোনীতরা হলেন—
ইয়াসিন বুনু — আল হিলাল
থিবো কুর্তোয়া — রিয়াল মাদ্রিদ
হোয়ান গার্সিয়া — এফসি বার্সেলোনা
গ্রেগর কোবেল — বরুসিয়া ডর্টমুন্ড
এমিলিয়ানো মার্তিনেজ — চেলসি
এদুয়ার্দ মেন্দি — আল আহলি
ডেভিড রায়া — আর্সেনাল
মাতভেই সাফোনভ — প্যারিস সেন্ট জার্মেই
উনাই সিমন — অ্যাথলেতিক বিলবাও
ভোজিনহা — কলো-কোলো
/এএসএফ