মেহেরপুরের গাংনীতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী গাংনী উপজেলা শাখা।
জামায়াতের নেতাদের অভিযোগ, প্রকাশিত নিয়োগ তালিকায় রাজনৈতিক বিবেচনা করা হয়েছে। এতে প্রকৃত যোগ্য ও সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তিরা নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
উপজেলা জামায়াতের আমির রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ফ্যামিলি কার্ড জরিপ কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের জন্য প্রকাশিত তালিকায় দলীয় বিবেচনা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে যোগ্য ব্যক্তিদের বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
উপজেলা জামায়াতের আমির রবিউল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মতো একটি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ ও তদারকির দায়িত্বে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক পরিচয় বা দলীয় বিবেচনার ভিত্তিতে কাউকে নিয়োগ দেওয়া হলে কর্মসূচির উদ্দেশ্য ব্যাহত হতে পারে। একই সঙ্গে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের সঠিক তথ্য সংগ্রহেও সমস্যা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা জাহাঙ্গীর বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সাধারণ মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সুরক্ষা উদ্যোগ। তাই এ কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জনবল নিয়োগে কোনো ধরনের পক্ষপাত বা দলীয় প্রভাব থাকা উচিত নয়।
তিনি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
/এএসএফ