হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে হামলার প্রতিবাদে বুধবার বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে দলটি। একই স্থানে বিএনপি ও ছাত্রদলও কর্মসূচি ঘোষণা করায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে।
তবে ১৪৪ ধারা জারি হলেও কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছে এনসিপি। দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা ইতোমধ্যে হবিগঞ্জের পথে রয়েছেন।
কর্মসূচিতে অংশ নিতে যাচ্ছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহসহ দলের সিনিয়র নেতারা। এর আগে থেকেই হবিগঞ্জে অবস্থান করছেন মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।
এনসিপির মিডিয়া উপকমিটির সদস্য ইয়াসির আরাফাত বলেন, কর্মসূচি পালনের উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় নেতারা হবিগঞ্জের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছেন। ১৪৪ ধারার মধ্যে কীভাবে কর্মসূচি পালন করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আহ্বায়কসহ কেন্দ্রীয় নেতারা পৌঁছানোর পর পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার হবিগঞ্জ শহরে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ চলাকালে এবং কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেছে এনসিপি।
দলটির দাবি, হামলার একপর্যায়ে সারজিস আলমসহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় তারা হবিগঞ্জ ত্যাগ করেন।
এই ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করার পর একই স্থানে বিএনপি ও ছাত্রদলের কর্মসূচিও ঘোষিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করলে পুরো জেলায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
/এএসএফ